সিলেট, ২৮ জুলাই : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, শিক্ষাখাতে বিনিয়োগ আরও বাড়ানো হবে এবং শিক্ষা বাজেট দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। পাশাপাশি ২০২৮ সালের মধ্যে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সরকারি নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার মোকামপুঞ্জি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনের সময় বিদ্যালয়ের খাঁশিয়া সম্প্রদায়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা তাদের ঐতিহ্যবাহী খাঁশিয়া পান-সুপারির মালা পরিয়ে প্রতিমন্ত্রীকে বরণ করে নেয়। বিদ্যালয়টির প্রায় ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী খাঁশিয়া সম্প্রদায় ও চা-শ্রমিক পরিবারের সন্তান। প্রতিমন্ত্রী শ্রেণিকক্ষ ঘুরে পাঠদান কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি জানান, বাংলা ও ইংরেজিতে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মৌলিক দক্ষতা নিশ্চিত করতে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শ্রেণিকক্ষভিত্তিক মূল্যায়ন ও ফাউন্ডেশনাল লার্নিং কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি ও নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হয়েছে এবং আগামী ১৭ আগস্টের মধ্যে দেশব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় স্থানীয় অভিভাবক ও বাসিন্দারা একটি নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের দাবি জানালে প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট করেন, বর্তমানে কোনো বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণের পরিকল্পনা নেই।
এদিকে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের স্কুলশিক্ষিকা বিউটি রানী পালকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে চলা আলোচনা-সমালোচনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "একজন মানুষ বাতাসের ভিতর দাঁড়িয়ে গান শুনছে- এটা নিয়ে আলোচনা বা সমালোচনা কেন হবে?" তিনি আরও বলেন, "এটা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা আপনারাই করেছেন, জনগণ বা অন্য কেউ করছে না।"
দিনব্যাপী সফরে প্রতিমন্ত্রী জৈন্তাপুর উপজেলার মোকামপুঞ্জি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তেলিজুড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ উপজেলার আরও কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের বিভাগীয় উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সাইফুল ইসলাম, সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাখাওয়াত এরশেদ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (ট্রেনিং) আব্দুল আলীম, জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুনন্দা রায়, কানাইঘাট সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সালমান নুর আলম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মনিরুল ইসলাম, জৈন্তাপুর মডেল থানার তদন্ত পরিদর্শক আল আমিন মীর, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. জুলহাস, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজমল আলী, গভর্নিং বডির সভাপতি ইমাম উদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
পরিদর্শনের সময় বিদ্যালয়ের খাঁশিয়া সম্প্রদায়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা তাদের ঐতিহ্যবাহী খাঁশিয়া পান-সুপারির মালা পরিয়ে প্রতিমন্ত্রীকে বরণ করে নেয়। বিদ্যালয়টির প্রায় ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী খাঁশিয়া সম্প্রদায় ও চা-শ্রমিক পরিবারের সন্তান। প্রতিমন্ত্রী শ্রেণিকক্ষ ঘুরে পাঠদান কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি জানান, বাংলা ও ইংরেজিতে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মৌলিক দক্ষতা নিশ্চিত করতে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শ্রেণিকক্ষভিত্তিক মূল্যায়ন ও ফাউন্ডেশনাল লার্নিং কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি ও নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হয়েছে এবং আগামী ১৭ আগস্টের মধ্যে দেশব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় স্থানীয় অভিভাবক ও বাসিন্দারা একটি নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের দাবি জানালে প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট করেন, বর্তমানে কোনো বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণের পরিকল্পনা নেই।
এদিকে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের স্কুলশিক্ষিকা বিউটি রানী পালকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে চলা আলোচনা-সমালোচনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "একজন মানুষ বাতাসের ভিতর দাঁড়িয়ে গান শুনছে- এটা নিয়ে আলোচনা বা সমালোচনা কেন হবে?" তিনি আরও বলেন, "এটা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা আপনারাই করেছেন, জনগণ বা অন্য কেউ করছে না।"
দিনব্যাপী সফরে প্রতিমন্ত্রী জৈন্তাপুর উপজেলার মোকামপুঞ্জি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তেলিজুড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ উপজেলার আরও কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের বিভাগীয় উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সাইফুল ইসলাম, সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাখাওয়াত এরশেদ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (ট্রেনিং) আব্দুল আলীম, জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুনন্দা রায়, কানাইঘাট সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সালমান নুর আলম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মনিরুল ইসলাম, জৈন্তাপুর মডেল থানার তদন্ত পরিদর্শক আল আমিন মীর, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. জুলহাস, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজমল আলী, গভর্নিং বডির সভাপতি ইমাম উদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।