ওয়ারেন, ২৯ জুলাই : বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল মিশিগানের ওয়ারেন সিটি স্কয়ারে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশি-অ্যামেরিকান ফেস্টিভ্যাল। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব মিশিগান (বাম)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসবে হাজারো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সৃষ্টি হয় এক প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশ। আয়োজকদের মতে, এটি ছিল মিশিগানের বাংলাদেশি কমিউনিটির এ বছরের সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক আয়োজন।
উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মিশিগানের লেফটেন্যান্ট গভর্নর গার্লিন গিলক্রিস্ট দ্বিতীয়। এছাড়াও ওয়ারেন সিটির মেয়র লরি স্টোন, মূলধারার রাজনৈতিক নেতা এবং বিভিন্ন শহরের জনপ্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
মিশিগানের বিভিন্ন শহরের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকেও প্রবাসী বাংলাদেশিরা পরিবার-পরিজন নিয়ে এই উৎসবে যোগ দেন। আনন্দ-উচ্ছ্বাস, পারিবারিক পুনর্মিলন এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনের মাধ্যমে উৎসবটি পরিণত হয় বাংলাদেশি-অ্যামেরিকানদের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের এক অনন্য মিলনমেলায়।
উৎসবে বাংলাদেশের গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নানা দিক তুলে ধরা হয়। দেশীয় খাবার, ঐতিহ্যবাহী পোশাক, গয়না, শিশুদের খেলনা, হস্তশিল্প ও বিভিন্ন পণ্যের আকর্ষণীয় স্টলে ছিল দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। কেনাকাটার পাশাপাশি সবাই উপভোগ করেন বাংলাদেশের পরিচিত স্বাদের নানা খাবার, যা প্রবাসের মাটিতে অনেকের কাছেই ফিরিয়ে আনে দেশের স্মৃতি।

উৎসবে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ. কিউ. এম. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সাবেক একান্ত সচিব তৈমূর হোসেন বিপুলসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আগত অতিথিরা অংশ নেন। মিশিগানের মাটিতে এত বড় পরিসরে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এমন আয়োজন দেখে তারা সন্তোষ ও মুগ্ধতা প্রকাশ করেন।
দুই দিনের উৎসবজুড়ে ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্থানীয় শিল্পীদের পাশাপাশি নিউইয়র্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আগত শিল্পীরা নাচ ও গান পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করেন। তবে অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী দিলশাদ নাহার কনা এবং মুজাহিদ আবদুল্লাহ মুজা। তাদের প্রাণবন্ত পরিবেশনায় দর্শক-শ্রোতারা উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠেন।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব মিশিগানের সভাপতি জাবেদ চৌধুরী বলেন, “আমেরিকার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করাই ছিল এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য।”
সুমন কবির ও শারমিন তানিমের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় সফলভাবে সম্পন্ন হয় দুই দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য আয়োজন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিকাশে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ওয়ারেন সিটিসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব মিশিগান (বাম)-কে বিশেষ প্রোক্লেমেশন প্রদান করা হয়।
প্রবাসের মাটিতে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয়কে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি বাংলাদেশি-অ্যামেরিকানদের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেন উপস্থিত অতিথিরা।
উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মিশিগানের লেফটেন্যান্ট গভর্নর গার্লিন গিলক্রিস্ট দ্বিতীয়। এছাড়াও ওয়ারেন সিটির মেয়র লরি স্টোন, মূলধারার রাজনৈতিক নেতা এবং বিভিন্ন শহরের জনপ্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
মিশিগানের বিভিন্ন শহরের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকেও প্রবাসী বাংলাদেশিরা পরিবার-পরিজন নিয়ে এই উৎসবে যোগ দেন। আনন্দ-উচ্ছ্বাস, পারিবারিক পুনর্মিলন এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনের মাধ্যমে উৎসবটি পরিণত হয় বাংলাদেশি-অ্যামেরিকানদের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের এক অনন্য মিলনমেলায়।
উৎসবে বাংলাদেশের গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নানা দিক তুলে ধরা হয়। দেশীয় খাবার, ঐতিহ্যবাহী পোশাক, গয়না, শিশুদের খেলনা, হস্তশিল্প ও বিভিন্ন পণ্যের আকর্ষণীয় স্টলে ছিল দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। কেনাকাটার পাশাপাশি সবাই উপভোগ করেন বাংলাদেশের পরিচিত স্বাদের নানা খাবার, যা প্রবাসের মাটিতে অনেকের কাছেই ফিরিয়ে আনে দেশের স্মৃতি।

উৎসবে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ. কিউ. এম. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সাবেক একান্ত সচিব তৈমূর হোসেন বিপুলসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আগত অতিথিরা অংশ নেন। মিশিগানের মাটিতে এত বড় পরিসরে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এমন আয়োজন দেখে তারা সন্তোষ ও মুগ্ধতা প্রকাশ করেন।
দুই দিনের উৎসবজুড়ে ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্থানীয় শিল্পীদের পাশাপাশি নিউইয়র্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আগত শিল্পীরা নাচ ও গান পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করেন। তবে অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী দিলশাদ নাহার কনা এবং মুজাহিদ আবদুল্লাহ মুজা। তাদের প্রাণবন্ত পরিবেশনায় দর্শক-শ্রোতারা উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠেন।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব মিশিগানের সভাপতি জাবেদ চৌধুরী বলেন, “আমেরিকার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করাই ছিল এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য।”
সুমন কবির ও শারমিন তানিমের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় সফলভাবে সম্পন্ন হয় দুই দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য আয়োজন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিকাশে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ওয়ারেন সিটিসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব মিশিগান (বাম)-কে বিশেষ প্রোক্লেমেশন প্রদান করা হয়।
প্রবাসের মাটিতে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয়কে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি বাংলাদেশি-অ্যামেরিকানদের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেন উপস্থিত অতিথিরা।