ঢাকা, ১ আগস্ট : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়।
তিন দিনের সফরে গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকায় আসেন সার্জিও গর। বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে এটি তাঁর প্রথম সফর। সফরের প্রথম দিন তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সার্জিও গর বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা করতে পেরে আমি আনন্দিত। দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেক ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।’
বৈঠকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর দেশের স্থিতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশকে ভ্রমণের জন্য নিরাপদ হিসেবে বিবেচনা করছে।
সফরের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (৩১ জুলাই) সার্জিও গরের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের মার্কিন প্রতিনিধিদল কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির পরিদর্শন করে। সেখানে তারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর অভিযানে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মানবিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
প্রতিনিধিদলটি উখিয়ার বিভিন্ন আশ্রয়শিবিরে চলমান মানবিক সহায়তা, চিকিৎসাসেবা ও খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করে। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনও প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়।
তিন দিনের সফরে গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকায় আসেন সার্জিও গর। বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে এটি তাঁর প্রথম সফর। সফরের প্রথম দিন তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সার্জিও গর বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা করতে পেরে আমি আনন্দিত। দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেক ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।’
বৈঠকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর দেশের স্থিতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশকে ভ্রমণের জন্য নিরাপদ হিসেবে বিবেচনা করছে।
সফরের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (৩১ জুলাই) সার্জিও গরের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের মার্কিন প্রতিনিধিদল কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির পরিদর্শন করে। সেখানে তারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর অভিযানে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মানবিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
প্রতিনিধিদলটি উখিয়ার বিভিন্ন আশ্রয়শিবিরে চলমান মানবিক সহায়তা, চিকিৎসাসেবা ও খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করে। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনও প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ছিলেন।