গোলাপগঞ্জ এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের নতুন কমিটি গঠন
লন্ডন, ১২ আগস্ট : গোলাপগঞ্জ উপজেলা এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৯ আগস্ট, রবিবার পূর্ব লন্ডনের এনজাইন ইয়োথ ক্লাবের হলরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রায় দুই শতাধিক ট্রাস্টি উপস্থিত ছিলেন।
তিন পর্বের অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ট্রাস্টের সাবেক সভাপতি ফজলুল হক ফজলু। এ কে এম আব্দুল্লাহর সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ট্রাস্টের চিফ কো-অর্ডিনেটর আব্দুল বাছির।
পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ট্রাস্টি মাওলানা মোহাম্মদ শওকত আলী। পরে উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানিয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ট্রাস্টের সাবেক সভাপতি মো. মোস্তফা মিয়া।
বক্তব্য রাখেন ট্রাষ্টের সাবেক সভাপতি আলতাফ হোসেন বাইছ, নাজমুল ইসলাম নুরু, মোঃ মকলু মিয়া, বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান আঙ্গুর মিয়া, বাংলাদেশ সেন্টার লন্ডনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের সাবেক স্পিকার আহবাব হোসেন, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের ডাইরেক্টর মোঃ হারুন মিয়া, ট্রাষ্টের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী রুহুল।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন এডুকেশন ট্রাষ্টের ট্রাষ্টি মিছবাহ জামাল, ফজলুল হক, ঢাকাদক্ষিণ উন্নয়ন সংস্থা ইউকে’র সভাপতি আব্দুল লতিফ নিজাম, গোলাপগঞ্জ হেল্পিং হ্যান্ডস ইউকের সাবেক সভাপতি ফেরদৌস আলম, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, শাহজাহান চৌধুরী, হেল্পিং হ্যান্ডসের ট্রেজারার মিকাইল আহমদ চৌধুরী, মুহিবুল হক, এডুকেশন ট্রাষ্টের সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ ইকবাল হোসেন, সাবেক ট্রেজারার জবরুল ইসলাম লনি, সাবেক ট্রেজারার জয়নাল আবেদীন জয়নুল, সাবেক মেম্বারশীপ সম্পাদক নুনু মোহাম্মদ শেখ, সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক শাহআলম কাসেম, ঢাকাদক্ষিণ উন্নয়ন সংস্থার সহসভাপতি দেলওয়ার আহমদ শাহান, এনটিভি ইউরোপের সিনিয়র রিপোর্টার কয়েছ আহমদ রোহেল, ট্রাষ্টি আবুল কাহের তারেক ও মুকিতুর রহমান।
আলোচনায় অংশ নিয়ে সম্মানিত ট্রাস্টিবৃন্দ বলেন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা এডুকেশন ট্রাস্ট একটি বৃহৎ ও সুপ্রতিষ্ঠিত সংগঠন। দীর্ঘ তিন দশক ধরে সংগঠনটি বাংলাদেশে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তা দিয়ে আসছে। পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদের শিকড়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখার যে প্রয়াস ট্রাস্ট চালিয়ে যাচ্ছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি প্রবাসী নতুন প্রজন্মের সঙ্গে দেশের মানুষের ও নিজস্ব ঐতিহ্যের সংযোগ তৈরি করতে ট্রাস্টের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী দিনগুলোতে গোলাপগঞ্জ উপজেলা এডুকেশন ট্রাস্টের কার্যক্রম আরও গতিশীল, বিস্তৃত ও সমৃদ্ধ হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আলোচনা পর্ব শেষে দ্বিতীয় পর্বে অনুষ্ঠিত হয় দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা। এতে সভাপতিত্ব করেন কো-অর্ডিনেটর কমিটির সদস্য আলতাফ হোসেন বাইছ এবং সভা পরিচালনা করেন কো-অর্ডিনেটর কমিটির চিফ কো-অর্ডিনেটর আব্দুল বাছির।
দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভার শুরুতে কো-অর্ডিনেটর কমিটির পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়। পরে কমিটির পক্ষ থেকে কার্যবিবরণী এবং বিগত কমিটি থেকে প্রাপ্ত তথ্যসহ সংক্ষিপ্ত আর্থিক প্রতিবেদন পেশ করা হয়। প্রতিবেদন ও কার্যবিবরণী উপস্থাপনের পর উপস্থিত ট্রাস্টিবৃন্দ করতালির মাধ্যমে তা অনুমোদন করেন।
দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন কো অর্ডিনেটর কমিটির সদস্যবৃন্দ যথাক্রমে মোঃ মকলু মিয়া, মোঃ ফজলুল হক ফজলু, আফছর হোসেন এনাম, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী রুহুল, একেএম আব্দুল্লাহ, জবরুল ইসলাম লনি, মোঃ ইকবাল হোসেন, জয়নাল আবেদীন জয়নুল, সোহেল আহমদ বদরুল ও মোঃ শাহআলম কাসেম।
দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় সম্মানিত ট্রাস্টিবৃন্দ বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপন এবং আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। বিস্তারিত আলোচনা শেষে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব গৃহীত হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—
১. ট্রাস্টের সংবিধান আমূল সংস্কারের লক্ষ্যে একটি সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠনের প্রস্তাব।
২. ট্রাস্টকে চ্যারিটি কমিশনের অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব।
৩. ট্রাস্টের সম্পদ যুক্তরাজ্যে বিনিয়োগের প্রস্তাব।
৪. বাংলাদেশে ট্রাস্টের ব্যাংক হিসাব সচল করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ।
৫. কো-অর্ডিনেটর কমিটির সকল কার্যক্রম অনুমোদন করা হয়।
সভায় গৃহীত এসব প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য নবনির্বাচিত (২০২৬–২০২৮) আফছর-বাছির-গনি কমিটির কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের আলোচনায় অংশগ্রহন করেন সম্মানিত ট্রাষ্টি নাজমুল ইসলাম নুরু, শহিদুর রহমান, বেলাল হোসেন, রোমান আহমদ চৌধুরী, শাহজাহান চৌধুরী, নজরুল ইসলাম, সৈয়দ মোহাম্মদ সামছুল হক, মুহিবুল হক, মোঃ ছাদেক আহমদ, মারুফ আহমদ, লুৎফর রহমান প্রমুখ।
সাধারণ সভায় উত্থাপিত প্রশ্নের উত্তর অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে প্রদান করেন সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে মোঃ ইকবাল হোসেন।
বিস্তারিত আলোচনা শেষে দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে উপস্থিত ট্রাষ্টিবৃন্দের মধ্যে থেকে প্রস্তাবিত প্রস্তাবগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়েছে এবং নিশ্চিত করা হয়েছে যে, নতুন উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো নির্বাচিত কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হবে।
দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভার শেষ পর্বে নির্বাচন কমিশনের সম্মানিত কমিশনারবৃন্দ সভামঞ্চে উপস্থিত হন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুরুল ইসলাম এবং নির্বাচন কমিশনার আবজল হোসেন ও সামসুল ইসলাম সেলিম ২০২৬–২০২৮ কার্যকালের জন্য নির্বাচিত প্যানেলের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন।
নির্বাচন কমিশনারবৃন্দ জানান, নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য আফছর-বাছির-গনি প্যানেলের পক্ষ থেকে একটি প্যানেল জমা দেওয়া হয়েছে। অন্য কোনো প্যানেল নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র বা প্যানেল জমা না দেওয়ায় এবং নির্বাচনী আচরণবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করায় আফছর-বাছির-গনি প্যানেলকে ২০২৬–২০২৮ কার্যকালের জন্য নির্বাচিত ঘোষণা করা হলো।
পরে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের প্রয়োজনীয় যাবতীয় কাগজপত্র বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
২০২৬–২০২৮ কার্য মেয়াদের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত চেয়ারপারসন আফছর হোসেন এনাম, জেনারেল সেক্রেটারি আব্দুল বাছির ও ট্রেজারার আব্দুল গনি বলেন, “আমরা ট্রাস্টের সকল সম্মানিত সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। আমাদের প্রতি আস্থা রেখে সংগঠনের দায়িত্ব অর্পণ করায় আমরা সম্মানিত ও কৃতজ্ঞ।
আমরা নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি সকলের সহযোগিতা ও পরামর্শ নিয়ে ট্রাস্টের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে কাজ করে যাব। ট্রাস্টের শিক্ষা ও সামাজিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করে এর সুফল অধিকসংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাব। ইনশাআল্লাহ।”
সভায় উপস্থিত ছিলেন- আলহাজ্ব শামসুদ্দিন সুবল, একেএম অলিউর রহমান মলাই, মোহাম্মদ গুলজার হোসেন, ফুয়াদ হোসেন, আব্দুল হাকিম চৌধুরী, সুলতান হায়দার, ছালেহ আহমদ, জাহেদ আহমেদ হাসান, ফারহাত বাছির, মোমিন চৌধুরী, মোঃ সাজু আহমদ, মাহফুজুর রহমান চৌধুরী, রাসেল আহমদ জুয়েল, শাহীন আহমেদ, আব্দুল রব, কামাল উদ্দিন, মামুন হাসান, রিফাত বাছির, জাহাঙ্গীর হোসেন, কামরুল ইসলাম, কে এ রোহেল, মোঃ জামাল উদ্দিন, মারুফ আহমেদ, মোঃ তাজ উদ্দিন, মোঃ দিলওয়ার হোসেন, এম রহমান, মোঃ সাইদুল আলম, আবু তাহের, মোঃ আলী হোসেন, এনামুল হক, তাজুল মিয়া, আবিদ আহমদ তানু, মোঃ ওয়াহিদুর রহমান, আলী আহমেদ, হাসান উদ্দিন, মোঃ আনিসুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান, মাখন মিয়া, লুদু মিয়া, এ মালিক, এম এ রহিম, আবুল হাসান, উবায়দুর রহমান, শামীম উদ্দিন, বেলাল উদ্দিন, মোঃ এফ আহমদ, আব্দুল রাজ্জাক, নাইম হোসেন, শাফি মাহমুদ, শাহেদ উদ্দিন, তাজ উদ্দিন, আব্দুল মন্নান, মোঃ নাজমুল, কামাল আহমদ, জয়নুল হক প্রমুখ।
লন্ডন, ১২ আগস্ট : গোলাপগঞ্জ উপজেলা এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৯ আগস্ট, রবিবার পূর্ব লন্ডনের এনজাইন ইয়োথ ক্লাবের হলরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রায় দুই শতাধিক ট্রাস্টি উপস্থিত ছিলেন।
তিন পর্বের অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ট্রাস্টের সাবেক সভাপতি ফজলুল হক ফজলু। এ কে এম আব্দুল্লাহর সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ট্রাস্টের চিফ কো-অর্ডিনেটর আব্দুল বাছির।
পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ট্রাস্টি মাওলানা মোহাম্মদ শওকত আলী। পরে উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানিয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ট্রাস্টের সাবেক সভাপতি মো. মোস্তফা মিয়া।
বক্তব্য রাখেন ট্রাষ্টের সাবেক সভাপতি আলতাফ হোসেন বাইছ, নাজমুল ইসলাম নুরু, মোঃ মকলু মিয়া, বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান আঙ্গুর মিয়া, বাংলাদেশ সেন্টার লন্ডনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের সাবেক স্পিকার আহবাব হোসেন, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের ডাইরেক্টর মোঃ হারুন মিয়া, ট্রাষ্টের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী রুহুল।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন এডুকেশন ট্রাষ্টের ট্রাষ্টি মিছবাহ জামাল, ফজলুল হক, ঢাকাদক্ষিণ উন্নয়ন সংস্থা ইউকে’র সভাপতি আব্দুল লতিফ নিজাম, গোলাপগঞ্জ হেল্পিং হ্যান্ডস ইউকের সাবেক সভাপতি ফেরদৌস আলম, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, শাহজাহান চৌধুরী, হেল্পিং হ্যান্ডসের ট্রেজারার মিকাইল আহমদ চৌধুরী, মুহিবুল হক, এডুকেশন ট্রাষ্টের সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ ইকবাল হোসেন, সাবেক ট্রেজারার জবরুল ইসলাম লনি, সাবেক ট্রেজারার জয়নাল আবেদীন জয়নুল, সাবেক মেম্বারশীপ সম্পাদক নুনু মোহাম্মদ শেখ, সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক শাহআলম কাসেম, ঢাকাদক্ষিণ উন্নয়ন সংস্থার সহসভাপতি দেলওয়ার আহমদ শাহান, এনটিভি ইউরোপের সিনিয়র রিপোর্টার কয়েছ আহমদ রোহেল, ট্রাষ্টি আবুল কাহের তারেক ও মুকিতুর রহমান।
আলোচনায় অংশ নিয়ে সম্মানিত ট্রাস্টিবৃন্দ বলেন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা এডুকেশন ট্রাস্ট একটি বৃহৎ ও সুপ্রতিষ্ঠিত সংগঠন। দীর্ঘ তিন দশক ধরে সংগঠনটি বাংলাদেশে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তা দিয়ে আসছে। পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদের শিকড়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখার যে প্রয়াস ট্রাস্ট চালিয়ে যাচ্ছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি প্রবাসী নতুন প্রজন্মের সঙ্গে দেশের মানুষের ও নিজস্ব ঐতিহ্যের সংযোগ তৈরি করতে ট্রাস্টের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী দিনগুলোতে গোলাপগঞ্জ উপজেলা এডুকেশন ট্রাস্টের কার্যক্রম আরও গতিশীল, বিস্তৃত ও সমৃদ্ধ হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আলোচনা পর্ব শেষে দ্বিতীয় পর্বে অনুষ্ঠিত হয় দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা। এতে সভাপতিত্ব করেন কো-অর্ডিনেটর কমিটির সদস্য আলতাফ হোসেন বাইছ এবং সভা পরিচালনা করেন কো-অর্ডিনেটর কমিটির চিফ কো-অর্ডিনেটর আব্দুল বাছির।
দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভার শুরুতে কো-অর্ডিনেটর কমিটির পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়। পরে কমিটির পক্ষ থেকে কার্যবিবরণী এবং বিগত কমিটি থেকে প্রাপ্ত তথ্যসহ সংক্ষিপ্ত আর্থিক প্রতিবেদন পেশ করা হয়। প্রতিবেদন ও কার্যবিবরণী উপস্থাপনের পর উপস্থিত ট্রাস্টিবৃন্দ করতালির মাধ্যমে তা অনুমোদন করেন।
দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন কো অর্ডিনেটর কমিটির সদস্যবৃন্দ যথাক্রমে মোঃ মকলু মিয়া, মোঃ ফজলুল হক ফজলু, আফছর হোসেন এনাম, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী রুহুল, একেএম আব্দুল্লাহ, জবরুল ইসলাম লনি, মোঃ ইকবাল হোসেন, জয়নাল আবেদীন জয়নুল, সোহেল আহমদ বদরুল ও মোঃ শাহআলম কাসেম।
দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় সম্মানিত ট্রাস্টিবৃন্দ বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপন এবং আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। বিস্তারিত আলোচনা শেষে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব গৃহীত হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—
১. ট্রাস্টের সংবিধান আমূল সংস্কারের লক্ষ্যে একটি সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠনের প্রস্তাব।
২. ট্রাস্টকে চ্যারিটি কমিশনের অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব।
৩. ট্রাস্টের সম্পদ যুক্তরাজ্যে বিনিয়োগের প্রস্তাব।
৪. বাংলাদেশে ট্রাস্টের ব্যাংক হিসাব সচল করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ।
৫. কো-অর্ডিনেটর কমিটির সকল কার্যক্রম অনুমোদন করা হয়।
সভায় গৃহীত এসব প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য নবনির্বাচিত (২০২৬–২০২৮) আফছর-বাছির-গনি কমিটির কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের আলোচনায় অংশগ্রহন করেন সম্মানিত ট্রাষ্টি নাজমুল ইসলাম নুরু, শহিদুর রহমান, বেলাল হোসেন, রোমান আহমদ চৌধুরী, শাহজাহান চৌধুরী, নজরুল ইসলাম, সৈয়দ মোহাম্মদ সামছুল হক, মুহিবুল হক, মোঃ ছাদেক আহমদ, মারুফ আহমদ, লুৎফর রহমান প্রমুখ।
সাধারণ সভায় উত্থাপিত প্রশ্নের উত্তর অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে প্রদান করেন সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে মোঃ ইকবাল হোসেন।
বিস্তারিত আলোচনা শেষে দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে উপস্থিত ট্রাষ্টিবৃন্দের মধ্যে থেকে প্রস্তাবিত প্রস্তাবগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়েছে এবং নিশ্চিত করা হয়েছে যে, নতুন উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো নির্বাচিত কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হবে।
দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভার শেষ পর্বে নির্বাচন কমিশনের সম্মানিত কমিশনারবৃন্দ সভামঞ্চে উপস্থিত হন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুরুল ইসলাম এবং নির্বাচন কমিশনার আবজল হোসেন ও সামসুল ইসলাম সেলিম ২০২৬–২০২৮ কার্যকালের জন্য নির্বাচিত প্যানেলের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন।
নির্বাচন কমিশনারবৃন্দ জানান, নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য আফছর-বাছির-গনি প্যানেলের পক্ষ থেকে একটি প্যানেল জমা দেওয়া হয়েছে। অন্য কোনো প্যানেল নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র বা প্যানেল জমা না দেওয়ায় এবং নির্বাচনী আচরণবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করায় আফছর-বাছির-গনি প্যানেলকে ২০২৬–২০২৮ কার্যকালের জন্য নির্বাচিত ঘোষণা করা হলো।
পরে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের প্রয়োজনীয় যাবতীয় কাগজপত্র বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
২০২৬–২০২৮ কার্য মেয়াদের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত চেয়ারপারসন আফছর হোসেন এনাম, জেনারেল সেক্রেটারি আব্দুল বাছির ও ট্রেজারার আব্দুল গনি বলেন, “আমরা ট্রাস্টের সকল সম্মানিত সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। আমাদের প্রতি আস্থা রেখে সংগঠনের দায়িত্ব অর্পণ করায় আমরা সম্মানিত ও কৃতজ্ঞ।
আমরা নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি সকলের সহযোগিতা ও পরামর্শ নিয়ে ট্রাস্টের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে কাজ করে যাব। ট্রাস্টের শিক্ষা ও সামাজিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করে এর সুফল অধিকসংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাব। ইনশাআল্লাহ।”
সভায় উপস্থিত ছিলেন- আলহাজ্ব শামসুদ্দিন সুবল, একেএম অলিউর রহমান মলাই, মোহাম্মদ গুলজার হোসেন, ফুয়াদ হোসেন, আব্দুল হাকিম চৌধুরী, সুলতান হায়দার, ছালেহ আহমদ, জাহেদ আহমেদ হাসান, ফারহাত বাছির, মোমিন চৌধুরী, মোঃ সাজু আহমদ, মাহফুজুর রহমান চৌধুরী, রাসেল আহমদ জুয়েল, শাহীন আহমেদ, আব্দুল রব, কামাল উদ্দিন, মামুন হাসান, রিফাত বাছির, জাহাঙ্গীর হোসেন, কামরুল ইসলাম, কে এ রোহেল, মোঃ জামাল উদ্দিন, মারুফ আহমেদ, মোঃ তাজ উদ্দিন, মোঃ দিলওয়ার হোসেন, এম রহমান, মোঃ সাইদুল আলম, আবু তাহের, মোঃ আলী হোসেন, এনামুল হক, তাজুল মিয়া, আবিদ আহমদ তানু, মোঃ ওয়াহিদুর রহমান, আলী আহমেদ, হাসান উদ্দিন, মোঃ আনিসুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান, মাখন মিয়া, লুদু মিয়া, এ মালিক, এম এ রহিম, আবুল হাসান, উবায়দুর রহমান, শামীম উদ্দিন, বেলাল উদ্দিন, মোঃ এফ আহমদ, আব্দুল রাজ্জাক, নাইম হোসেন, শাফি মাহমুদ, শাহেদ উদ্দিন, তাজ উদ্দিন, আব্দুল মন্নান, মোঃ নাজমুল, কামাল আহমদ, জয়নুল হক প্রমুখ।