নিউইয়র্ক, ১৩ আগস্ট : বাংলাদেশ সোসাইটির আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে কুনু-ফিরোজ পরিষদের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যায় ব্রঙ্কসের বাংলাবাজারের গোল্ডেন প্যালেস মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং জামিল আনসারীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি এমএ আজিজ।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী, বাবুল চৌধুরী, ফারুক চৌধুরী, আনোয়ার হোসাইন, রফিকুল ইসলাম ডালিম, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মইনুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরী শেফাজ, অধ্যাপক শাহজাহান এবং কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী খসরু।
সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া মুনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আবুল কাসেম ইয়াহিয়া। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মোঃ ফুল মিয়া।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নুরুল আলম জিকু, আলতাফ হোসেন, জগলুল চৌধুরী মন্জুর, জাবেদ উদ্দিন, লেইছ চৌধুরী,বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কসের প্রচার সম্পাদক শেখ শফিকুর রহমান, সাংবাদিক এম ইদ্রিছ আলী, গোল্ডেন প্যালেসের কর্ণধার বেলাল ইসলাম,আখতারুজ্জামান হ্যাপি, মোজাফ্ফর হোসেন, অধ্যাপক আব্দুল করিম, মোশাহিদ চৌধুরী, মোস্তাকুর রহমান লিটন। সভায় বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতি প্রার্থী আজমল হোসেন কুনু তার বক্তব্যের একপর্যায়ে কুনু-ফিরোজ পরিষদের প্রার্থীদের সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। এ সময় তিনি পরিষদের বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
পরিষদের প্রার্থীরা হলেন- সিনিয়র সহসভাপতি পদে দুলাল মেহেদু, সহসভাপতি পদে আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক পদে ফিরোজ আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নওশাদ হোসেন, এবং সদস্য পদে কয়েস আহমেদ, আব্দুল বাসির, ইঞ্জিনিয়ার আলম, আবুল বাশার ও মুর্শেদ আলম।
এছাড়া ব্রঙ্কস থেকে পরিষদের চার প্রার্থী হলেন- সৈয়দ গৌছুল হোসেন, জামিল আনসারি, মাইনুদ্দিন নটু ও কাজী হাসান।
অনুষ্ঠানে ব্রঙ্কস ব্যরো নির্বাচন পরিচালনা কমিটির নামও ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে নির্বাচন পরিচালনা চেয়ারম্যান হিসেবে সুলায়মান ভূঁইয়া, প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী, আহ্বায়ক হিসেবে আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী খসরু, সদস্য সচিব হিসেবে কৃষিবিদ সুলায়মান এবং প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে লেইছ চৌধুরী চেয়ারম্যানের নাম ঘোষণা করা হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ব্রঙ্কস ব্যারো নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে।
বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি এমএ আজিজ বলেন, “আজ বাংলাদেশ সোসাইটি যেভাবে চলছে, তাতে একদিন সংগঠনটি বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সংগঠনের স্বার্থে আমি সাবেক সফল সভাপতি আজমল হোসেন কুনুর নেতৃত্বাধীন কুনু-ফিরোজ পরিষদকে সমর্থন দিয়েছি।”
সভাপতি প্রার্থী আজমল হোসেন কুনু বলেন, “আপনারা আমাদের নির্বাচিত করুন, প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দায়িত্ব আমাদের। ইশতেহারে দেওয়া প্রতিটি অঙ্গীকার অক্ষরে অক্ষরে পালন করব, ইনশাআল্লাহ।”
সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ফিরোজ আহমেদ বলেন, “প্রবাসী বাংলাদেশিদের সবচেয়ে বৃহৎ সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটি যেভাবে এগিয়ে যাওয়ার কথা ছিল, নেতৃত্বের দক্ষতার অভাবে সেভাবে অগ্রগতি হয়নি। আমরা নির্বাচিত হলে প্রবাসীদের চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করব, ইনশাআল্লাহ।”
নিউইয়র্কের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা ব্রঙ্কসে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ব্যাপক অংশগ্রহণে মতবিনিময় সভাটি একপর্যায়ে বিশাল সমাবেশে রূপ নেয়। মিলনায়তনের ভেতরে বসার জায়গা না থাকায় অনেককে দাঁড়িয়ে সভায় অংশ নিতে দেখা যায়।
সভা শেষে উপস্থিত অতিথি ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের নৈশভোজে আপ্যায়ন করা হয়।
বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং জামিল আনসারীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি এমএ আজিজ।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী, বাবুল চৌধুরী, ফারুক চৌধুরী, আনোয়ার হোসাইন, রফিকুল ইসলাম ডালিম, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মইনুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরী শেফাজ, অধ্যাপক শাহজাহান এবং কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী খসরু।
সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া মুনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আবুল কাসেম ইয়াহিয়া। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মোঃ ফুল মিয়া।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নুরুল আলম জিকু, আলতাফ হোসেন, জগলুল চৌধুরী মন্জুর, জাবেদ উদ্দিন, লেইছ চৌধুরী,বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কসের প্রচার সম্পাদক শেখ শফিকুর রহমান, সাংবাদিক এম ইদ্রিছ আলী, গোল্ডেন প্যালেসের কর্ণধার বেলাল ইসলাম,আখতারুজ্জামান হ্যাপি, মোজাফ্ফর হোসেন, অধ্যাপক আব্দুল করিম, মোশাহিদ চৌধুরী, মোস্তাকুর রহমান লিটন। সভায় বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতি প্রার্থী আজমল হোসেন কুনু তার বক্তব্যের একপর্যায়ে কুনু-ফিরোজ পরিষদের প্রার্থীদের সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। এ সময় তিনি পরিষদের বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
পরিষদের প্রার্থীরা হলেন- সিনিয়র সহসভাপতি পদে দুলাল মেহেদু, সহসভাপতি পদে আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক পদে ফিরোজ আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নওশাদ হোসেন, এবং সদস্য পদে কয়েস আহমেদ, আব্দুল বাসির, ইঞ্জিনিয়ার আলম, আবুল বাশার ও মুর্শেদ আলম।
এছাড়া ব্রঙ্কস থেকে পরিষদের চার প্রার্থী হলেন- সৈয়দ গৌছুল হোসেন, জামিল আনসারি, মাইনুদ্দিন নটু ও কাজী হাসান।
অনুষ্ঠানে ব্রঙ্কস ব্যরো নির্বাচন পরিচালনা কমিটির নামও ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে নির্বাচন পরিচালনা চেয়ারম্যান হিসেবে সুলায়মান ভূঁইয়া, প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী, আহ্বায়ক হিসেবে আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী খসরু, সদস্য সচিব হিসেবে কৃষিবিদ সুলায়মান এবং প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে লেইছ চৌধুরী চেয়ারম্যানের নাম ঘোষণা করা হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ব্রঙ্কস ব্যারো নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে।
বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি এমএ আজিজ বলেন, “আজ বাংলাদেশ সোসাইটি যেভাবে চলছে, তাতে একদিন সংগঠনটি বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সংগঠনের স্বার্থে আমি সাবেক সফল সভাপতি আজমল হোসেন কুনুর নেতৃত্বাধীন কুনু-ফিরোজ পরিষদকে সমর্থন দিয়েছি।”
সভাপতি প্রার্থী আজমল হোসেন কুনু বলেন, “আপনারা আমাদের নির্বাচিত করুন, প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দায়িত্ব আমাদের। ইশতেহারে দেওয়া প্রতিটি অঙ্গীকার অক্ষরে অক্ষরে পালন করব, ইনশাআল্লাহ।”
সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ফিরোজ আহমেদ বলেন, “প্রবাসী বাংলাদেশিদের সবচেয়ে বৃহৎ সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটি যেভাবে এগিয়ে যাওয়ার কথা ছিল, নেতৃত্বের দক্ষতার অভাবে সেভাবে অগ্রগতি হয়নি। আমরা নির্বাচিত হলে প্রবাসীদের চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করব, ইনশাআল্লাহ।”
নিউইয়র্কের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা ব্রঙ্কসে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ব্যাপক অংশগ্রহণে মতবিনিময় সভাটি একপর্যায়ে বিশাল সমাবেশে রূপ নেয়। মিলনায়তনের ভেতরে বসার জায়গা না থাকায় অনেককে দাঁড়িয়ে সভায় অংশ নিতে দেখা যায়।
সভা শেষে উপস্থিত অতিথি ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের নৈশভোজে আপ্যায়ন করা হয়।