ল্যান্সিং, ২০ আগস্ট : মিশিগানের স্বাস্থ্য বিভাগ বুধবার ‘ইস্টার্ন ইকুইন এনসেফালাইটিস’ (EEE)-এ আক্রান্ত একজন রোগী শনাক্তের খবর নিশ্চিত করেছে। এটি মশার মাধ্যমে ছড়ানো একটি বিরল, তবে মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ।
রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, রসকমন কাউন্টির এই বাসিন্দাই ২০২১ সালের পর মিশিগানে শনাক্ত হওয়া EEE-এর প্রথম মানব রোগী। বিভাগটি আরও জানিয়েছে, এর আগে রাজ্যে প্রাণীদেহে এই রোগের উপস্থিতি শনাক্ত হয়নি।
সংক্রামিত মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে EEE ছড়ায়। রোগটি বিরল হলেও গুরুতর হতে পারে এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর খুব অল্পসংখ্যক মানুষের মধ্যে এটি শনাক্ত হয়।
মিশিগানের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা নাতাশা বাগদাসারিয়ান বলেন, “EEE যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বিপজ্জনক মশাবাহিত রোগ। এতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে মৃত্যুর হার প্রায় ৩০ শতাংশ।”
EEE-তে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জ্বর, মাথাব্যথা, কাঁপুনি ও বমি বমি ভাবের মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে রোগটি গুরুতর আকার ধারণ করে মস্তিষ্কে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। তখন মানসিক বিভ্রান্তি, খিঁচুনি এবং কোমা বা অচেতনতার মতো গুরুতর উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
মিশিগান ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিসেস জানিয়েছে, ওই এলাকায় রোগের ঝুঁকি নিরূপণে রসকমন কাউন্টিতে মশা সংগ্রহ ও পরীক্ষার কার্যক্রম চলছে।
রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ বাসিন্দাদের মশার কামড় থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে রাজ্য ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় মানুষ, মশা, গৃহপালিত প্রাণী ও বন্যপ্রাণীর মধ্যে EEE-এর উপস্থিতি বা লক্ষণ পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে।
Source : http://detroitnews.com
রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, রসকমন কাউন্টির এই বাসিন্দাই ২০২১ সালের পর মিশিগানে শনাক্ত হওয়া EEE-এর প্রথম মানব রোগী। বিভাগটি আরও জানিয়েছে, এর আগে রাজ্যে প্রাণীদেহে এই রোগের উপস্থিতি শনাক্ত হয়নি।
সংক্রামিত মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে EEE ছড়ায়। রোগটি বিরল হলেও গুরুতর হতে পারে এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর খুব অল্পসংখ্যক মানুষের মধ্যে এটি শনাক্ত হয়।
মিশিগানের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা নাতাশা বাগদাসারিয়ান বলেন, “EEE যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বিপজ্জনক মশাবাহিত রোগ। এতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে মৃত্যুর হার প্রায় ৩০ শতাংশ।”
EEE-তে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জ্বর, মাথাব্যথা, কাঁপুনি ও বমি বমি ভাবের মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে রোগটি গুরুতর আকার ধারণ করে মস্তিষ্কে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। তখন মানসিক বিভ্রান্তি, খিঁচুনি এবং কোমা বা অচেতনতার মতো গুরুতর উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
মিশিগান ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিসেস জানিয়েছে, ওই এলাকায় রোগের ঝুঁকি নিরূপণে রসকমন কাউন্টিতে মশা সংগ্রহ ও পরীক্ষার কার্যক্রম চলছে।
রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ বাসিন্দাদের মশার কামড় থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে রাজ্য ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় মানুষ, মশা, গৃহপালিত প্রাণী ও বন্যপ্রাণীর মধ্যে EEE-এর উপস্থিতি বা লক্ষণ পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে।
Source : http://detroitnews.com