ক্যান্টন টাউনশিপ, ২৫ আগস্ট: কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনসের (CAIR) মিশিগান শাখার কর্মকর্তারা ক্যান্টন টাউনশিপে সংগঠনটির অফিসে হত্যার হুমকি পাওয়ার পর মুসলিমবিদ্বেষী বক্তব্য বা ‘হেট স্পিচ’ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে CAIR-MI জানায়, তাদের অফিসে নিয়মিত হয়রানিমূলক ই-মেইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বার্তা আসে। অনেক সময় দিনে একাধিকবার এসব বার্তা পাঠানো হয়। তবে গত সপ্তাহে পরিস্থিতি আরও গুরুতর আকার ধারণ করে। ডিয়ারবর্ন এলাকায় মুসলিমবিদ্বেষী কর্মী জেক ল্যাংয়ের উপস্থিতির পরপরই সংগঠনটি টানা তিন দিনে তিনটি হত্যার হুমকি পায় বলে জানানো হয়েছে।
দেশটির অন্যতম বৃহৎ মুসলিম নাগরিক অধিকার ও অ্যাডভোকেসি সংগঠন CAIR-এর মিশিগান শাখা জানিয়েছে, হুমকির বিষয়টি ক্যান্টন টাউনশিপ পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে।
তবে হুমকিগুলোর বিষয়ে CAIR-MI বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। সোমবার মন্তব্যের জন্য ক্যান্টন টাউনশিপ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন, ৪ আগস্টের প্রাইমারি নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক সিনেট প্রার্থী আব্দুল এল-সায়েদের জয়ের পর অনলাইনে মুসলিমবিদ্বেষী বক্তব্যের যে ঢেউ সৃষ্টি হয়েছিল, এই হুমকিগুলোর সময় তার সঙ্গে মিলে যায়। এ বিষয়ে ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’-এও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল বলে জানায় CAIR-MI।
বিজ্ঞপ্তিতে CAIR-MI-এর প্রধান স্টাফ অ্যাটর্নি অ্যামি ডুকুরে বলেন, নাগরিক অধিকার রক্ষায় কাজ করা কোনো সংগঠনের প্রতি হত্যার হুমকি মুসলিমবিদ্বেষী ঘৃণা উসকে দেওয়ার একটি অগ্রহণযোগ্য পরিণতি।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য বা জনবিতর্ককে কখনোই মুসলিম, মুসলিম প্রতিষ্ঠান কিংবা আমেরিকান মুসলিমদের অধিকারের পক্ষে কথা বলা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সহিংসতার হুমকি দেওয়ার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।
অ্যামি ডুকুরে নির্বাচিত কর্মকর্তা, কমিউনিটি নেতা, গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ জনগণের প্রতি উসকানিমূলক বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, মিশিগানসহ যুক্তরাষ্ট্রের কোথাও ঘৃণা ও ভীতি প্রদর্শনের কোনো স্থান নেই।
CAIR-এর সর্বশেষ নাগরিক অধিকারবিষয়ক প্রতিবেদনে সারা দেশে মুসলিমবিদ্বেষী আচরণের ৮ হাজার ৬৮৩টি অভিযোগ নথিভুক্ত করা হয়েছে। ১৯৯৬ সালে এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ শুরু করার পর থেকে এটিই সংগঠনটির নথিভুক্ত সর্বোচ্চ সংখ্যা।
CAIR-MI আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি যেকোনো বিশ্বাসযোগ্য হুমকির বিষয়ে দ্রুত তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তা ও কমিউনিটি নেতাদের মুসলিমবিদ্বেষী বক্তব্য এবং মুসলিম আমেরিকান ও তাঁদের সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখানোর প্রচেষ্টার প্রকাশ্যে নিন্দা জানানোর আহ্বান জানিয়েছে।
Source & Photo: http://detroitnews.com
সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে CAIR-MI জানায়, তাদের অফিসে নিয়মিত হয়রানিমূলক ই-মেইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বার্তা আসে। অনেক সময় দিনে একাধিকবার এসব বার্তা পাঠানো হয়। তবে গত সপ্তাহে পরিস্থিতি আরও গুরুতর আকার ধারণ করে। ডিয়ারবর্ন এলাকায় মুসলিমবিদ্বেষী কর্মী জেক ল্যাংয়ের উপস্থিতির পরপরই সংগঠনটি টানা তিন দিনে তিনটি হত্যার হুমকি পায় বলে জানানো হয়েছে।
দেশটির অন্যতম বৃহৎ মুসলিম নাগরিক অধিকার ও অ্যাডভোকেসি সংগঠন CAIR-এর মিশিগান শাখা জানিয়েছে, হুমকির বিষয়টি ক্যান্টন টাউনশিপ পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে।
তবে হুমকিগুলোর বিষয়ে CAIR-MI বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। সোমবার মন্তব্যের জন্য ক্যান্টন টাউনশিপ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন, ৪ আগস্টের প্রাইমারি নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক সিনেট প্রার্থী আব্দুল এল-সায়েদের জয়ের পর অনলাইনে মুসলিমবিদ্বেষী বক্তব্যের যে ঢেউ সৃষ্টি হয়েছিল, এই হুমকিগুলোর সময় তার সঙ্গে মিলে যায়। এ বিষয়ে ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’-এও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল বলে জানায় CAIR-MI।
বিজ্ঞপ্তিতে CAIR-MI-এর প্রধান স্টাফ অ্যাটর্নি অ্যামি ডুকুরে বলেন, নাগরিক অধিকার রক্ষায় কাজ করা কোনো সংগঠনের প্রতি হত্যার হুমকি মুসলিমবিদ্বেষী ঘৃণা উসকে দেওয়ার একটি অগ্রহণযোগ্য পরিণতি।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য বা জনবিতর্ককে কখনোই মুসলিম, মুসলিম প্রতিষ্ঠান কিংবা আমেরিকান মুসলিমদের অধিকারের পক্ষে কথা বলা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সহিংসতার হুমকি দেওয়ার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।
অ্যামি ডুকুরে নির্বাচিত কর্মকর্তা, কমিউনিটি নেতা, গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ জনগণের প্রতি উসকানিমূলক বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, মিশিগানসহ যুক্তরাষ্ট্রের কোথাও ঘৃণা ও ভীতি প্রদর্শনের কোনো স্থান নেই।
CAIR-এর সর্বশেষ নাগরিক অধিকারবিষয়ক প্রতিবেদনে সারা দেশে মুসলিমবিদ্বেষী আচরণের ৮ হাজার ৬৮৩টি অভিযোগ নথিভুক্ত করা হয়েছে। ১৯৯৬ সালে এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ শুরু করার পর থেকে এটিই সংগঠনটির নথিভুক্ত সর্বোচ্চ সংখ্যা।
CAIR-MI আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি যেকোনো বিশ্বাসযোগ্য হুমকির বিষয়ে দ্রুত তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তা ও কমিউনিটি নেতাদের মুসলিমবিদ্বেষী বক্তব্য এবং মুসলিম আমেরিকান ও তাঁদের সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখানোর প্রচেষ্টার প্রকাশ্যে নিন্দা জানানোর আহ্বান জানিয়েছে।
Source & Photo: http://detroitnews.com