ডেট্রয়েট, ২৬ আগস্ট: কানাডার সঙ্গে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক বিরোধের মধ্যেই লেক অন্টারিওর নাম পরিবর্তন করে ‘লেক আমেরিকা’ রাখার ধারণা সামনে এনেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২৫ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।
মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ নাম পরিবর্তনের সম্ভাবনার কথা জানান ট্রাম্প। এর আগে গত বছর তিনি ‘গালফ অব মেক্সিকো’-র নাম পরিবর্তন করে ‘গালফ অব আমেরিকা’ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, “যুক্তরাষ্ট্র ‘লেক অন্টারিও’র নাম পরিবর্তন করে ‘লেক আমেরিকা’ রাখার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে; কারণ অন্টারিওর সঙ্গে আমরা আর খুব একটা বাণিজ্য করার আশা করছি না।”
লেক অন্টারিও উত্তর আমেরিকার পাঁচটি গ্রেট লেকসের অন্যতম। পাঁচটি গ্রেট লেকসের মধ্যে এটিই একমাত্র হ্রদ, যার তীরে মিশিগানের কোনো অংশ নেই। মিশিগান অঙ্গরাজ্যটি ‘গ্রেট লেকস স্টেট’ নামে পরিচিত।
লেক অন্টারিও নিয়ে ওই পোস্ট দেওয়ার ঠিক আগের দিন ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সব গাড়ি, ট্রাক, গাড়ির যন্ত্রাংশ ও ইস্পাতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, কানাডার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের ক্ষেত্রে “আর কোনো অঙ্গরাজ্যের মতো আচরণ করা হবে না।”
এর আগে ২১ আগস্ট দুই দেশ কোনো বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয় এবং এ নিয়ে একে অপরকে দায়ী করতে থাকে। ট্রাম্প কানাডার বেশ কিছু পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের নির্দেশ দেওয়ার পর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছিল কানাডা।
এরই ধারাবাহিকতায় ২৪ আগস্ট অন্টারিও প্রদেশের প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি ট্রাম্পকে “বুলি” (ধমকবাজ) এবং “স্বৈরাচারী” বলে অভিহিত করেন।
ফোর্ড বলেন, “যিনি দেউলিয়া হওয়ার ঘটনায় ‘রাজা’ বা শীর্ষস্থানে রয়েছেন, তাঁর কাছ থেকে আমি কোনো পরামর্শ নেব না। তিনি আসলে নিজের দেশের মানুষের ওপরই শুল্ক বা করের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছেন।”
২৫ আগস্ট কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১৯.৯৪ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়, যা যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নতুন শুল্কের সমপরিমাণ। একই সঙ্গে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কানাডীয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মীদের জন্য আর্থিক সহায়তারও ঘোষণা দেওয়া হয়।
কানাডা সরকারের এক বিবৃতি অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এ পাল্টা শুল্ক ব্যবস্থার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৭০০টি পণ্যের ওপর ১৫, ২৫ ও ৫০ শতাংশ হারে শুল্ক আরোপ করা হবে।
এদিকে, লেক অন্টারিওর নাম পরিবর্তনের বিষয়ে ট্রাম্পের প্রস্তাবের কঠোর সমালোচনা করেছেন মিশিগান ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান কার্টিস হার্টেল জুনিয়র।
হার্টেল বলেন, “পুরো প্রেসিডেন্ট মেয়াদে ডোনাল্ড ট্রাম্প শুধু নামেই ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ বা ‘আমেরিকা সবার আগে’ নীতি অনুসরণ করেছেন। তিনি পণ্যের দাম কমানো, মজুরি বাড়ানো এবং কোনো বিদেশি যুদ্ধে জড়িত না হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন—কিন্তু সেগুলো সবই ছিল বাজে কথা। ‘গ্রেট লেকস’-এর মধ্যে চতুর্থ সেরা হ্রদের নাম পরিবর্তন করলেই সেই পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হবে না।” হার্টেল স্পষ্ট করেন যে, তিনি লেক ইরি-র চেয়ে লেক অন্টারিও-কে বেশি গুরুত্ব বা উচ্চতর স্থান দিয়ে থাকেন।
Source & Photo: http://detroitnews.com
মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ নাম পরিবর্তনের সম্ভাবনার কথা জানান ট্রাম্প। এর আগে গত বছর তিনি ‘গালফ অব মেক্সিকো’-র নাম পরিবর্তন করে ‘গালফ অব আমেরিকা’ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, “যুক্তরাষ্ট্র ‘লেক অন্টারিও’র নাম পরিবর্তন করে ‘লেক আমেরিকা’ রাখার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে; কারণ অন্টারিওর সঙ্গে আমরা আর খুব একটা বাণিজ্য করার আশা করছি না।”
লেক অন্টারিও উত্তর আমেরিকার পাঁচটি গ্রেট লেকসের অন্যতম। পাঁচটি গ্রেট লেকসের মধ্যে এটিই একমাত্র হ্রদ, যার তীরে মিশিগানের কোনো অংশ নেই। মিশিগান অঙ্গরাজ্যটি ‘গ্রেট লেকস স্টেট’ নামে পরিচিত।
লেক অন্টারিও নিয়ে ওই পোস্ট দেওয়ার ঠিক আগের দিন ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সব গাড়ি, ট্রাক, গাড়ির যন্ত্রাংশ ও ইস্পাতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, কানাডার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের ক্ষেত্রে “আর কোনো অঙ্গরাজ্যের মতো আচরণ করা হবে না।”
এর আগে ২১ আগস্ট দুই দেশ কোনো বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয় এবং এ নিয়ে একে অপরকে দায়ী করতে থাকে। ট্রাম্প কানাডার বেশ কিছু পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের নির্দেশ দেওয়ার পর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছিল কানাডা।
এরই ধারাবাহিকতায় ২৪ আগস্ট অন্টারিও প্রদেশের প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি ট্রাম্পকে “বুলি” (ধমকবাজ) এবং “স্বৈরাচারী” বলে অভিহিত করেন।
ফোর্ড বলেন, “যিনি দেউলিয়া হওয়ার ঘটনায় ‘রাজা’ বা শীর্ষস্থানে রয়েছেন, তাঁর কাছ থেকে আমি কোনো পরামর্শ নেব না। তিনি আসলে নিজের দেশের মানুষের ওপরই শুল্ক বা করের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছেন।”
২৫ আগস্ট কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১৯.৯৪ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়, যা যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নতুন শুল্কের সমপরিমাণ। একই সঙ্গে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কানাডীয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মীদের জন্য আর্থিক সহায়তারও ঘোষণা দেওয়া হয়।
কানাডা সরকারের এক বিবৃতি অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এ পাল্টা শুল্ক ব্যবস্থার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৭০০টি পণ্যের ওপর ১৫, ২৫ ও ৫০ শতাংশ হারে শুল্ক আরোপ করা হবে।
এদিকে, লেক অন্টারিওর নাম পরিবর্তনের বিষয়ে ট্রাম্পের প্রস্তাবের কঠোর সমালোচনা করেছেন মিশিগান ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান কার্টিস হার্টেল জুনিয়র।
হার্টেল বলেন, “পুরো প্রেসিডেন্ট মেয়াদে ডোনাল্ড ট্রাম্প শুধু নামেই ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ বা ‘আমেরিকা সবার আগে’ নীতি অনুসরণ করেছেন। তিনি পণ্যের দাম কমানো, মজুরি বাড়ানো এবং কোনো বিদেশি যুদ্ধে জড়িত না হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন—কিন্তু সেগুলো সবই ছিল বাজে কথা। ‘গ্রেট লেকস’-এর মধ্যে চতুর্থ সেরা হ্রদের নাম পরিবর্তন করলেই সেই পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হবে না।” হার্টেল স্পষ্ট করেন যে, তিনি লেক ইরি-র চেয়ে লেক অন্টারিও-কে বেশি গুরুত্ব বা উচ্চতর স্থান দিয়ে থাকেন।
Source & Photo: http://detroitnews.com