আমেরিকা , রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ , ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাতাসে পরিবর্তনের আভাস’  মিশিগানে বললেন ওবামা ফার্মিংটনে আজ ‘থ্রিলার’ নাচে মাতবেন ৮০ জন মিশিগানজুড়ে সশরীরে আগাম ভোটগ্রহণ শুরু মিশিগানে শিল্প ভবনে বিস্ফোরণে নিহত ১ মিশিগানে ৬ লাখ ডলারের বিটকয়েন কেলেঙ্কারি, অভিযুক্ত ইলিনয়ের ব্যক্তি অ্যান আরবারে ট্রেনের সঙ্গে এসইউভির সংঘর্ষ, তদন্ত শুরু মিশিগানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ম্যারাথন দৌড়বিদ গ্রেস নোলান ডেট্রয়েটে অপহৃত নারী উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ টলেডোতে রাসায়নিক ছড়িয়ে  পড়ায় সতর্কতা জারি প্যালিসেডস পারমাণবিক কেন্দ্র চালুর আগে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা সিঁদুরের রঙে বিজয়া, বিষাদের  সুরে মিশিগানে দেবীর বিদায় সাউথফিল্ডে গুলিতে একজন নিহত, ভুক্তভোগীর পরিচিত যুবক গ্রেপ্তার হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবাই বাংলাদেশি : তারেক রহমান হৃদরোগে মৃত্যুহারে মিশিগান ও  যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে এগিয়ে ডেট্রয়েট নাটোরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৪ ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার : তারেক রহমান মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাক হোসেনের কুষ্টিয়ায় লালন আখড়াবাড়িতে টাইম বোমা, সঙ্গে পেট্রোল মিশিগানে সপ্তাহজুড়ে শরতের মৃদু আবহাওয়া, রাতে ঠান্ডা দুপুর ২টায় পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন ইশরাক

‘বাতাসে পরিবর্তনের আভাস’  মিশিগানে বললেন ওবামা

  • আপলোড সময় : ২৪-১০-২০২৬ ১০:৪১:৪৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-১০-২০২৬ ১০:৪১:৪৩ অপরাহ্ন
‘বাতাসে পরিবর্তনের আভাস’  মিশিগানে বললেন ওবামা
আজ শনিবার, ডেট্রয়েটের ক্যাস টেকনিক্যাল হাই স্কুলে ডেমোক্র্যাটিক দলের গভর্নর পদপ্রার্থী জোসেলিন বেনসন ও সিনেট পদপ্রার্থী আব্দুল আল-সায়েদের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা/Robin Buckson, The Detroit News

ডেট্রয়েট, ২৪ অক্টোবর: ডেট্রয়েটে হাজারো মানুষের সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচন দেশের গতিপথ সংশোধনের সুযোগ হতে পারে। এ সময় তিনি মিশিগানের ভোটারদের ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী জোসেলিন বেনসন ও আব্দুল আল-সায়েদকে সমর্থনের আহ্বান জানান।
নির্বাচনের ১০ দিন আগে প্রাইমারি পর্বের উত্তেজনা কাটিয়ে অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাটরা ক্যাস টেকনিক্যাল হাই স্কুলের জিমনেসিয়ামে একত্রিত হন। রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমে আসা এবং জ্বালানির উচ্চমূল্যের প্রেক্ষাপটে ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন দলটির নেতারা। সমাবেশে ওবামা বলেন, “বাতাসে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।”
ওবামা আরও বলেন, “আমি যতগুলো নির্বাচনে প্রচার চালিয়েছি, তার অভিজ্ঞতায় বলতে পারি—কখনো কখনো এমন কিছু নির্বাচন আসে, যা অন্যগুলোর চেয়ে কিছুটা আলাদা মনে হয়।”
পরে তিনি বলেন, “এখন সময় হয়েছে বলার—যথেষ্ট হয়েছে! আমরা মিশিগানে পরিবর্তনের জন্য ভোট দিচ্ছি।”
কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মিশিগানের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী এলাকায় জয় পাওয়ার আশা করছেন ডেমোক্র্যাটরা। অ্যান আরবারের সাবেক জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা আব্দুল আল-সায়েদ দলটির পক্ষ থেকে সিনেট আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। উচ্চকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের প্রচেষ্টায় আসনটি ডেমোক্র্যাটদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী হোয়াইট লেক টাউনশিপের সাবেক মার্কিন প্রতিনিধি মাইক রজার্স।
এদিকে, মিশিগানের বর্তমান সেক্রেটারি অব স্টেট জোসেলিন বেনসন ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রার্থী হিসেবে গভর্নর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী শেলবি টাউনশিপের মার্কিন প্রতিনিধি জন জেমস। বর্তমান ডেমোক্র্যাটিক গভর্নর গ্রেচেন হুইটমারের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তাঁর স্থলাভিষিক্ত হওয়ার লড়াইয়ে নেমেছেন দুই প্রার্থী।
‘ক্যাস টেক’ জিমনেসিয়ামে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রতিনিধি ডেবি ডিঙ্গেল (ডেমোক্র্যাট, অ্যান আরবার) আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও এবার তাঁর বক্তব্যে ভিন্ন সুর শোনা যায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জোসেলিন বেনসন জয়ী হবেন এবং সিনেট নির্বাচন হবে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।
ডিঙ্গেল বলেন, “আমি অন্য পক্ষের চেয়ে আমাদের অবস্থানেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছি। তবে আগামী ১০ দিন আমাদের কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যেতে হবে।”
জিমনেসিয়ামে আয়োজিত এই জনসভায় সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, সিনেট প্রার্থী আব্দুল আল-সায়েদ ও গভর্নর পদপ্রার্থী জোসেলিন বেনসনের উপস্থিতিতে প্রায় ৩ হাজার মানুষ অংশ নেন। এ ছাড়া, হাই স্কুলের ভেতরে কাছাকাছি আরেকটি মিলনায়তনে উপস্থিত ছিলেন আরও প্রায় ১ হাজার মানুষ।
সেখানে ডেট্রয়েটের ৬৬ বছর বয়সী ট্যামি হিকস জিমনেসিয়ামের মূল মঞ্চে ওবামার ওঠার অপেক্ষায় তাঁর সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেখছিলেন।
হিকস বলেন, “আমার মনে হয়, ডেমোক্র্যাটদের জয়ের খুব ভালো সুযোগ রয়েছে।”
নির্বাচনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কী এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “পণ্যের দাম, বিশেষ করে জ্বালানির দাম।”

ট্রাম্পকে নিয়ে বিতর্ক আলোচনার কেন্দ্রে
২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয়ের আগে টানা দুই মেয়াদে হোয়াইট হাউসে দায়িত্ব পালন করা সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সমাবেশে বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও বিদ্যুতের দাম কমানোর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন ট্রাম্প।
ওবামা বলেন, “সবকিছুর দামই এখন বেশি।”
তিনি আরও বলেন, “ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের জন্য বর্তমান প্রশাসনের পদক্ষেপগুলো সরাসরি দায়ী। বর্তমান প্রেসিডেন্ট একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ভুল হলো একটি অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ শুরু করার সিদ্ধান্ত।”
ওবামার সফরের পরদিনই পোর্ট হিউরনে রিপাবলিকান ভোটারদের নিয়ে সমাবেশ করার কথা রয়েছে ট্রাম্পের।
এদিকে, ডেট্রয়েটের মতো ডেমোক্র্যাটদের শক্ত ঘাঁটিতে সমর্থন বাড়াতে দলটি ওবামাকে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছে রিপাবলিকানরা।
রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির মুখপাত্র হান্টার লাভেল বলেন, “মাইক রজার্স রিপাবলিকান, স্বতন্ত্র ও ডেমোক্র্যাটদের নিয়ে একটি বিজয়ী জোট গড়ে তুলছেন। এই জোট ৩ নভেম্বর আব্দুলকে পরাজিত করবে এবং দীর্ঘ ২৫ বছরের ব্যর্থ ডেমোক্র্যাটিক শাসন থেকে মিশিগানকে রক্ষা করবে।”
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট ওবামা এখনও জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত হন। বিশেষ করে ডেট্রয়েটের মতো শহরে তাঁর প্রভাব রয়েছে, যেখানে প্রায় ৭৫ শতাংশ বাসিন্দা কৃষ্ণাঙ্গ।
ডেট্রয়েটে ওবামার উপস্থিতিকে কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান হিসেবে বর্ণনা করেন গভর্নর পদপ্রার্থী জোসেলিন বেনসন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এই উপস্থিতি ডেমোক্র্যাটদের জন্য বড় উৎসাহ হিসেবে কাজ করেছে।
বেনসন বলেন, “এই মুহূর্তে পুরো জাতির নজর মিশিগানের দিকে। ভোটারদের সামনে এখন মূল প্রশ্ন হলো—আপনারা কাকে আপনাদের পক্ষে লড়াই করতে দেখতে চান? এমন নেতাদের, যাঁরা জনগণের স্বার্থকে সবার আগে রেখে লড়াই করবেন? নাকি এমন ব্যক্তিদের, যাঁরা ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থিত ক্ষতিকর অর্থনৈতিক নীতি কিংবা নির্বাচন অস্বীকারকারীদের মিথ্যাচারের পক্ষেই দাঁড়ান?”

নির্বাচনের আগে ডেমোক্র্যাট শিবিরে ঐক্যের বার্তা
বেনসন জানান, ক্যাস টেকের (Cass Tech) জিমনেসিয়ামে ছিল “অসাধারণ উদ্দীপনা”। দলের অন্য শীর্ষ নেতারাও বলেছেন, নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিনগুলোতে তাঁরা ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ২৫ বছর বয়সী মেডিকেল শিক্ষার্থী জিশান রিজভি। মধ্যবর্তী নির্বাচনের ১০ দিন আগে আয়োজিত এই সমাবেশে যোগ দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “আমি ইতিহাসের সাক্ষী হতে এসেছি।”
রিজভি আরও বলেন, “এ ধরনের ঘটনা নিয়েই ভবিষ্যতে ইতিহাসের বইয়ে আলোচনা করা হবে।”
গত ৪ আগস্টের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রাইমারিতে বার্মিংহামের মার্কিন প্রতিনিধি হ্যালি স্টিভেন্সকে পরাজিত করে ডেমোক্র্যাটিক দলের সিনেট মনোনয়ন পান আব্দুল আল-সায়েদ। তবে ইসরায়েলের সমালোচনা করে দেওয়া তাঁর বিভিন্ন প্রকাশ্য বক্তব্যের কারণে দলের কিছু নেতা তাঁকে সমর্থন দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
তবে ২৪ অক্টোবরের সমাবেশে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং মিশিগানের ডেমোক্র্যাট সিনেটর এলিসা স্লটকিন—উভয়েই আল-সায়েদের প্রতি জোরালো সমর্থন জানান।
ডেট্রয়েটের জনসভায় ওবামা বলেন, আল-সায়েদের মূল্যবোধের সঙ্গে তাঁর নিজের মূল্যবোধের মিল রয়েছে। অতীতে বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ে আল-সায়েদ তাঁর সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করলেও তাতে কোনো সমস্যা নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ওবামা সমাবেশে উপস্থিত জনতাকে বলেন, “সব বিষয়ের প্রতিটি খুঁটিনাটি বিষয়ে আমাদের মতামত একই হবে- এমনটা আশা করা যায় না।”
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে রিপাবলিকানরা ওবামার প্রেসিডেন্ট থাকাকালে আব্দুল আল-সায়েদের দেওয়া কয়েকটি পুরোনো সমালোচনামূলক বক্তব্য প্রচার করছে। তবে ওবামা বলেন, নিজের স্ত্রী মিশেল ওবামার সঙ্গেও সব বিষয়ে তাঁর মতের মিল নেই।
আল-সায়েদের মুসলিম পরিচয় ও পারিবারিক পটভূমি নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গ টেনে ওবামা বলেন, কোনো অকার্যকর ব্যবস্থা পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হলে, সেই ব্যবস্থা থেকে সুবিধাভোগীরা পরিবর্তন ঠেকাতে যেকোনো কথা বলতে বা পদক্ষেপ নিতে পারে।
ওবামা বলেন, “আমরা এমন দৃশ্য আগেও দেখেছি। আর সেই দৃশ্যের মূল চরিত্রে আমি নিজেও ছিলাম।” এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “এটি প্রমাণ করার মতো আমার কাছে পূর্ণাঙ্গ জন্মনিবন্ধন সনদ রয়েছে।” যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেননি—ট্রাম্প ও অন্যদের এমন মিথ্যা দাবির জবাব দিতেই তিনি এ কথা বলেন।
অন্যদিকে, মিশিগানের ডেমোক্র্যাট সিনেটর এলিসা স্লটকিন বলেন, দলের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্যকে ‘প্রগতিশীল বনাম মধ্যপন্থী’ হিসেবে না দেখে ‘লড়াইয়ে টিকে থাকা বনাম পালিয়ে যাওয়া’—এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা উচিত। তিনি আল-সায়েদকে একজন লড়াকু মানুষ হিসেবে বর্ণনা করেন।
স্লটকিন বলেন, “আমরা যদি চাই, আমাদের সন্তান ও নাতি-নাতনিরা এই দেশকে বিশ্বাসযোগ্য ও আস্থার জায়গা হিসেবে পাক, তবে আমাদের এর জন্য লড়াই করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে ট্রাম্প প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণে রাখার বিষয়ে তাঁরা সবাই একমত।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আল-সায়েদ বলেন, মিশিগানজুড়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে গিয়ে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে ঐক্যের চিত্র দেখতে পাচ্ছেন।
আল-সায়েদ বলেন, “অনেকে নানা ধরনের বয়ান বা আখ্যান তৈরি করতে চান। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন।”
তিনি আরও বলেন, “বাস্তবতা হলো, মানুষ জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে। এমনকি চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সামর্থ্য নিয়েও তারা উদ্বিগ্ন। তারা এমন নেতা চান, যাঁরা ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের কারণে দেশে যে দুর্নীতি সৃষ্টি হয়েছে, তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবেন।”
Source & Photo: http://detroitnews.com
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Suprobhat Michigan

কমেন্ট বক্স
মিশিগানের মন্দিরে মন্দিরে, ঘরে ঘরে আজ কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা

মিশিগানের মন্দিরে মন্দিরে, ঘরে ঘরে আজ কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা