আমেরিকা , সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬ , ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী ১৪ এপ্রিল উদ্বোধন করবেন ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি সংসদের মুলতবি অধিবেশন শুরু গণমাধ্যম ঠিক থাকলে রাষ্ট্রের তিন অঙ্গ সোজা পথে চলবে : ডা. শফিকুর রহমান ক্লিনটন টাউনশিপে পুলিশের ধাওয়া এড়াতে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, নিহত ২ ধর্মীয় নেতাদের সম্মানি প্রদান : প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করলেন পাইলট প্রকল্প মিশিগানে সিনাগগে হামলা, সদস্যরা ভয়কে জয় করে একত্রিত মিশিগানে সিনাগগে গাড়ি নিয়ে ঢুকে গুলি, বন্দুকযুদ্ধের পর হামলাকারীর আত্মহত্যা হামলায় আহত সিনাগগ প্রহরী: অভিজ্ঞ পুলিশ কর্মকর্তা দমকা হাওয়ার তাণ্ডব : ওয়ারেনে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ায় জরুরি সতর্কতা সিনাগগ হামলার পর গভর্নরের বার্তা : ইহুদিবিদ্বেষ সহ্য করা হবে না সিনাগগে ট্রাক হামলার সময় শ্রেণিকক্ষে ছিল ১০৩ শিশু মিশিগানের সিনাগগে হামলার মূল উদঘাটনের প্রতিশ্রুতি দিলেন  ট্রাম্প মিশিগানে ট্রাক নিয়ে সিনাগগে ঢুকে গুলি, বন্দুকধারী নিহত মেট্রো ডেট্রয়েটে উচ্চ বাতাসের সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের দূষিত স্থানের তালিকায় অ্যান আরবারের সাবেক কারখানা ডেট্রয়েটের পশ্চিমাঞ্চলে গুলিতে এক ব্যক্তির মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ পিকচার্ড রকস ভাঙচুরে চারজনকে জরিমানা ও পার্কে প্রবেশ নিষিদ্ধ রোমুলাসে ইভি চার্জিং হাব নির্মাণের পরিকল্পনা টেসলার ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল  আজ থেকেই প্রকৃত গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা  : সংসদে প্রধানমন্ত্রী
ছোট্ট শিশুর কৃষ্ণপ্রেমে মাতোয়ারা গোটা ভারত

‘হাই হ্যালো ছোড়ো হরে কৃষ্ণ বোলো’

  • আপলোড সময় : ৩১-০৩-২০২৪ ০১:৪৭:১৩ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩১-০৩-২০২৪ ০১:৪৭:১৩ পূর্বাহ্ন
‘হাই হ্যালো ছোড়ো হরে কৃষ্ণ বোলো’
কলকাতা, ৩১ মার্চ :  হাই হ্যালো ছোড়ো হরে কৃষ্ণ বোলো। কে এই দেবতনয়? নেহাতই ছোট্ট এক শিশু? নাকি শ্রীকৃষ্ণের কোনও অবতার? অনর্গল বলে চলেছে কৃষ্ণ কথা! তার মুখ থেকে ধর্ম কথা শুনে মোহিত সকলে। এ তো বাবা মায়ের শেখানো কথা নয়, মন থেকে বলছে সব কিছু। ছোটদের মধ্যে নাকি ভগবান থাকে! এ শিশুকে দেখলে, তার কথা শুনলে সেকথা বিশ্বাস করতে বড্ড ইচ্ছে হয়।কৃষ্ণ নামে বিভোর। কৃষ্ণ প্রেমে পাগল। ঠোঁটের আগায় শ্রীকৃষ্ণের প্রতিটি কাহিনী। তার কৃষ্ণপ্রেমে অবাক সকলে। সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল তার প্রতিটি কথা। আধো আধো বোল। কিন্তু তার গভীরতা যে কোনও বিজ্ঞ ব্যক্তির থেকে কোনও অংশে কম নয়। তার আত্মবিশ্বাস, তার মত প্রতিষ্ঠার ধরণ,।সবাইকে হতবাক করে ছাড়ছে। অনায়াসে সে বলতে পারে গীতার মাহাত্ম্য। বলতে পারে পৌরাণিক নানা কাহিনী। যেন ঈশ্বরেরই বরপুত্র।

নচেৎ এই বয়সে এতো কথা সে জানালো কিভাবে!রিয়ালিটি শোয়ের হোস্ট বলুন কিংবা বিমান সেবিকা। মুহুর্তে সে মন জিতে নিচ্ছে সকলের। বয়স চার বছর। কিন্তু সে কথা বলে যেকোনও সর্বজ্ঞানী বিদ্বজনের মতো। মুন্ডিত মস্তক। গলায় কখনও রুদ্রাক্ষ বা কখনও তুলসি কাঠের মালা, সঙ্গে মাদুলি। কপালে চন্দনের তিলক। চোখ দুটি থেকে ঝড়ে পড়ছে আত্মবিশ্বাস। নাম তার ভাগবত দাস ব্রহ্মচারী। যেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ নেমে এসেছেন ভক্তদের মাঝে। অনেকেই মালা পরিয়ে ভগবান জ্ঞানে পুজো করছে তাকে।

খেলাধুলোর বয়সে শ্রীকৃষ্ণই যেন তার ধ্যান জ্ঞান। সে ছুটছে, লাফাচ্ছে শ্রীকৃষ্ণকে সঙ্গী করে। তার স্বপনে জাগরনে প্রশ্বাসে নিঃশ্বাসে শুধুই শ্রীকৃষ্ণ। সম্বোধনে বলেন, রাধে রাধে। কাঁধ থেকে ঝুলছে কাপড়ের ঝুলি। তাতে রাখা জপমালা। সময় পেলেই মালা জপে ভাগবত। নিজে পড়ে শ্রীমৎভগবত গীতা। দেশ জুড়ে ঘুরে ঘুরে প্রচার করে গীতার মাহাত্ম্য। বলতে পারে, ইংরেজরা সোনার ভারত লুট করেছে। তবুও আমাদের গীতার মতো রত্ন আর কারও কাছে নেই।

সম্প্রতি তাকে দেখা গেছে সোনির রিয়েলিটি শো সুপারস্টার সিঙ্গারে। সেখানে নেহা কক্কর তাকে হ্যালো বলে সম্বোধন করেন। সঙ্গে সঙ্গেই ভাগবত বলে, হাই হ্যালো ছোড়ো, হরে কৃষ্ণ বোলো।চারদিকে এতো ক্যামেরা, এতো আলো। অথচ সেসব নিয়ে সে বিচলিত নয় একটুও। যেন স্টেজ পারফরম্যান্স তার সহজাত। নেহা জানতে চেয়েছিলেন,তার বাড়ি কোথায়।উত্তরে ভাগবত বলে,একদিন দেবরাজ ইন্দ্র প্রচুর বৃষ্টি করিয়েছিল। ভেসে যায় চারদিক। জীবকুলকে বাঁচাতে তখন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অনামিকার মাধ্যমে গোবর্ধনকে তুলে ধরেছিলেন। সেই গোবর্ধনে আমি থাকি। ভাবুন একবার! এই ছোট্ট শিশু জানিয়ে দেয়, অন্য খাবার তো বটেই ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে না দিয়ে সে জলপানও করে না।

তার মতে, আগে সব খাবার ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে নিবেদন কর। তারপর তাঁর প্রসাদ গ্রহণ কর। ভাগবত নিরামিষ পিৎজাও দেয় তার আরাধ্য দেবতাকে। কতটা ভক্তি কতটা ভালোবাসা বুঝুন। সে অনায়াসে দু হাত প্রসারিত করে বলতে পারে, শ্রীকৃষ্ণকে সবাই ভালোবাসে এতোটাই। সে জায়গায়, তার প্রতি সকলের ভালোবাসা কনামাত্র। অর্থাৎ সবক্ষেত্রেই এগিয়ে রাখা ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে। তাতেই তার আনন্দ। কেন এই বয়স থেকেই কৃষ্ণপ্রেমে ডুবে রয়েছে সে? উত্তরে সে বলেন, আমাদের জীবন অনির্দিষ্ট। কখন কার মৃত্যু আসবে তা আমরা কেউ জানি না। তাই সেই মৃত্যু আসার আগে যত পারে কৃষ্ণ নাম জপ করে নাও। তাতেই আনন্দ তাতেই মুক্তি। ছোট্ট এই শিশুর মতে, খেলনা কিভাবে চলবে তা লেখা থাকে ম্যানুয়ালে। তেমনই গীতা আমাদের জীবনের ম্যানুয়াল।
।। প্রথম কলকাতা ।।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Suprobhat Michigan

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বাংলাদেশি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের উৎসব : মিশিগান ফেস্ট, ২৮ মার্চ

বাংলাদেশি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের উৎসব : মিশিগান ফেস্ট, ২৮ মার্চ