আমেরিকা , শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬ , ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আকাশপথে অসুস্থ ক্যাপ্টেন, ডেট্রয়েটে নামল ডেল্টার ফ্লাইট ট্রয় হাসপাতালে ৪৪০ মিলিয়ন ডলারের সম্প্রসারণ প্রকল্প ৬৪ জেলার দায়িত্ব পেলেন ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ওয়েইন কাউন্টির বাসিন্দার শরীরে ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস শনাক্ত বিশ্বজুড়ে অভিবাসী ভিসার সাক্ষাৎকার স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র বার্মিংহামে মারামারি নিয়ে উদ্বেগ, নিরাপত্তা জোরদারে পদক্ষেপ মিশিগানজুড়ে আজ ঝড়-বৃষ্টি, টর্নেডোর সতর্কতা কানাডার সঙ্গে বিরোধে লেক অন্টারিওর নাম বদলাতে চান ট্রাম্প ভাড়ার বাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিতে ডেট্রয়েটের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা ডিয়ারবর্ন হাইটসে পারিবারিক বিরোধে নারী নিহত, আহত ১ ফ্রেজারে প্রাণঘাতী ‘হিট-এন্ড-রান’, ফ্লক ক্যামেরায় চালক শনাক্ত ও গ্রেপ্তার ইঙ্কস্টারে ডলার ট্রিতে নারীকে ছুরিকাঘাত, যুবক আটক মিশিগানের মুসলিম সংগঠনের অফিসে হত্যার হুমকি হবিগঞ্জে উন্মোচিত হলো চিন্ময় আচার্যের ‘স্মৃতির পথে ৪৮ বছর’ মিশিগান বইমেলার শেষদিনে পাঠকের ভাটা, বিক্রিতেও মন্দা  ডেট্রয়েটের পূর্বাঞ্চলে গাড়ি থেকে গুলিবর্ষণ, শিশুসহ আহত ৪ ডেট্রয়েটের একটি বাড়ি থেকে তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার বেলুন উড়িয়ে মিশিগান বইমেলার উদ্বোধন চিন্ময় আচার্যের ‘স্মৃতির পথে  ৪৮ বছর’ সময়ের সাক্ষী হয়ে থাকবে : ডা. দেবাশীষ মৃধা রংপুরে এক পরিবারের চারজনের মৃত্যু ঘিরে রহস্য ও চাঞ্চল্য

প্রয়াত বিশ্বের প্রবীণতম যোগসাধক শিবানন্দ

  • আপলোড সময় : ০৪-০৫-২০২৫ ১২:২৯:৪৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৪-০৫-২০২৫ ১২:২৯:৪৯ পূর্বাহ্ন
প্রয়াত বিশ্বের প্রবীণতম যোগসাধক শিবানন্দ
বারাণসী, ৪ মে : প্রয়াত  বিশ্বের সবচেয়ে প্রবীণ যোগগুরু স্বামী শিবানন্দ বাবা। শনিবার রাতে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। 
নিউমোনিয়ায় ভুগছিলেন স্বামী শিবানন্দ। শ্বাসকষ্টের সমস্যাতেও ভুগছিলেন। এ অবস্থায় গত ৩০ এপ্রিল বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। সেখানেই গত তিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন স্বামী শিবানন্দ। শেষ পর্যন্ত শনিবার রাত ৯টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন যোগগুরু। গিনিস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অনুযায়ী বিশ্বের প্রবীণতম ব্যক্তি ছিলেন শিবানন্দ ।
মনোরোগে পিএইচডি করা স্বামী শিবানন্দ (যোগী) ১৮৯৬ সালের ৮ আগস্ট হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার হরিতলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা শ্রীনাথ গোস্বামী মাতা ভগবতী দেবী। মা ও বাবা কয়েক বছরের বড় দিদি আরতিসহ দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে জীবন ধারণ করতেন। চরম দারিদ্র্যতার কারণে ৪ বছর বয়সে উনাকে নবদ্বীপের বিখ্যাত সন্ন্যাসী স্বামী ওঙ্কারানন্দর কাছে দিয়ে দেওয়া হয়। এর দুই বছর পর, যখন তার বয়স ৬ বছর তিনি সন্ন্যাসীর সঙ্গে বাড়ীতে ফিরে এসে শোনেন তার দিদি না খেতে পেয়ে মারা গেছেন। তার বাড়িতে আসার ৭ দিন পর মা-বাবাও একই দিনে মারা যান। তিনি স্বামী ওঙ্কারানন্দের সঙ্গে বাবা-মায়ের শ্রাদ্ধ শেষ করে ১৯০১ সালে আবার নবদ্বীপে গমন করেন। 
ডক্টর স্বামী শিবানন্দের পড়াশোনা শুরু ১৯০১ সালে নবদ্বীপে। কলকাতা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন তিনি। ১৯২৫ সালে তিনি বিদেশে যান উচ্চ শিক্ষার জন্য। তিনি পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেছেন। ১৯২৫ সালে শুরু করেন বিশ্বভ্রমণ। বিদেশি ভক্ত অনুরাগীদের আমন্ত্রণে তিনি ইংল্যান্ড, গ্রিস, ফ্রান্স, স্পেন, অস্ট্রিয়া, ইতালি, হাঙ্গেরি, রাশিয়া, পোল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, বুলগেরিয়া, যুক্তরাজ্যসহ অর্ধশতাধিক দেশ সফর করেছেন। ৩৪ বছর টানা বিদেশ ভ্রমণ করেন তিনি।
পরবর্তীকালে ১৯৫৯ সালে গুরুর নির্দেশে কাশীধামে ফিরে সাধনজগতে ডুব দেন। যোগসাধনার পাশাপাশি নিঃস্বার্থ সেবামূলক কাজেও ব্রতী এই সাধক। পশ্চিমবঙ্গের নবদ্বীপে কাটিয়েছেন বেশ কয়েক বছর। বৃন্দাবনেও কিছুদিন  ছিলেন। ১৯৭৯ সালে বারাণসী চলে আসেন। গুরু ওমকারনন্দের কাছ থেকে যোগশিক্ষা লাভ করেন। সেখানকার দুর্গাকুণ্ডেই স্বামী শিবানন্দের আশ্রম রয়েছে। গত ১০০ বছর ধরে প্রয়াগরাজ, নাসিক, উজ্জয়ন এবং হরিদ্বারে কুম্ভমেলায় অংশ নেন নিয়মিত। ২০২২ সালে তাঁকে ‘পদ্মশ্রী’ সম্মানে সম্মানিত করেন তদানীন্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। পাশাপাশি, যোগরত্ন পুরস্তাক, বসুন্ধরা রত্ন পুরস্কারও পেয়েছেন। কুষ্ঠরোগীদের সেবাতেও নিজেকে উৎসর্গ করেন স্বামী শিবানন্দ। পুরীর প্রায় ৪০০-৫০০ কুষ্ঠরোগীর সেবা করেন তিনি, যাঁরা ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবনযাপন করতেন। নিয়মিত দরিদ্র এলাকাতেও যাতায়াত ছিল।
বয়স ১২৯ হলেও শেষ জীবনে যথেষ্ট সক্ষম ছিলেন স্বামী শিবানন্দ। প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টা যোগব্যায়াম করতেন তিনি, যা তাঁর সুদীর্ঘ জীবনের চাবিকাঠি হয়ে ওঠে বলে জানা যায়। 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Suprobhat Michigan

কমেন্ট বক্স
সিলেটি ভাষা নিয়ে মন্তব্য: তীব্র  প্রতিবাদ, ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান

সিলেটি ভাষা নিয়ে মন্তব্য: তীব্র  প্রতিবাদ, ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান