ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের নবীন ছাত্রী ঈশিতা বনসাল সোমবার (২৫ আগস্ট, ২০২৫) অ্যান আরবার ক্যাম্পাসে স্কুলের প্রথম দিনে ক্লাসের মাঝখানে ‘দ্য ডায়াগে’ এক বন্ধুর সঙ্গে কথা বলছেন/Lon Horwedel, Special To The Detroit News
অ্যান আরবার, ২৬ আগস্ট : ক্লাসের প্রথম দিন সাধারণত শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন বন্ধু বানানো, পুরোনোদের সঙ্গে পুনর্মিলন, সময়সূচী গোছানো কিংবা জটিল গণপরিবহন ব্যবস্থা সামলানোর দিন। রাজনীতি সচরাচর তাদের মাথায় থাকে না। অন্তত, ফেরার প্রথম দিনে তো নয়ই। কিন্তু বর্তমান সময়ে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও নেতৃত্বের ওপর তীব্র নজরদারির কারণে ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের ক্যাম্পাস ভিন্ন চিত্র ধারণ করেছে।
২৩ বছর বয়সী স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী সুরিন সিং বলেন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও নেতৃত্ব পরিবর্তন নিয়ে প্রতিদিন ভাবতে না হলেও তিনি স্পষ্টভাবেই ক্যাম্পাসে পরিবর্তন অনুভব করছেন। তার ভাষায়, “পুরো ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যু এবং বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ার কারণে পরিবেশ বদলে গেছে। অনেকেই প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট সান্তা ওনোর অবস্থান নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন। যারা আবেগপ্রবণ ছিলেন তারা স্পষ্টভাবেই পক্ষ নিয়েছেন।” তবে চ্যালেঞ্জ শুধু বিক্ষোভ কিংবা ইহুদিবিদ্বেষের অভিযোগে সম্ভাব্য ফেডারেল তদন্তে সীমাবদ্ধ নয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নেতৃত্ব এখন আরও নানা সঙ্কটের মুখে—ফেডারেল গবেষণা তহবিল হ্রাস পাওয়ায় প্রত্যাশার তুলনায় কম অর্থ নিয়ে চলতে হচ্ছে। রাজ্য বাজেট নিয়ে অনিশ্চয়তা, যা সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী বছরের বাজেট নির্ধারণের আগে সমাধান হয়। ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি অনুসারে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ার আশঙ্কা।
মিশিগান কলেজ অ্যাক্সেস নেটওয়ার্কের নির্বাহী পরিচালক রায়ান ফেউইনস-ব্লিস বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্টরা এখন ফেডারেল ও রাজ্য—দুই দিক থেকেই আক্রমণের মুখে। প্রতিদিনই পরিস্থিতি পাল্টাচ্ছে। তারা হতাশ।”
Source & Photo: http://detroitnews.com
নিউজটি আপডেট করেছেন : Suprobhat Michigan