লন্ডন, ৭ ফেব্রুয়ারি : যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম নিবাসী, বড়লেখা উপজেলার সদর ইউনিয়নের মহদিকোনা গ্রামের মাস্টার বাড়ির এই প্রজন্মের কৃতিসন্তান, এটিএন বাংলা ইউকের ব্যুরো প্রধান এবং বড়লেখা ফাউন্ডেশন ইউকে’র সাধারণ সম্পাদক, সমাজসেবক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কায়সারুল ইসলাম সুমনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় কনভেনর মোহাম্মদ মকিস মনসুর, কো-কনভেনর মসুদ আহমদ, সদস্য সচিব ড. মুজিবুর রহমান এবং অর্থ সচিব কাউন্সিলর আসরাফ মিয়া—কেন্দ্রীয় ও রিজিওনাল কমিটির পক্ষ থেকে এক যৌথ শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। নেতৃবৃন্দ মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন—এই দোয়া কামনা করেন এবং সকলকে মরহুমের জন্য দোয়া করার জন্য বিনীতভাবে আহ্বান জানান।
কায়সারুল ইসলাম সুমনের আকস্মিক মৃত্যুতে সাংবাদিক মহল ও প্রবাসী কমিউনিটিতে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করে শোকবার্তায় গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র কেন্দ্রীয় কনভেনর এবং ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান, কমিউনিটি লিডার ও সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ মকিস মনসুর বলেন,
“আমার মায়ার ভাই সুমন ছিলেন একজন স্পষ্টবাদী ও দায়িত্বশীল সংবাদকর্মী। প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা সমস্যা, সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে তিনি নিয়মিত ও নিষ্ঠার সঙ্গে প্রতিবেদন করতেন।”
তিনি আরও বলেন, কায়সারুল ইসলাম সুমন তাঁর সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে ছিলেন অত্যন্ত আপনজন। একই সঙ্গে তিনি একজন দক্ষ কমিউনিটি সংগঠক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। মানবিক হৃদয়ের অধিকারী এই মানুষটি শুধু একজন দক্ষ সাংবাদিকই নন, বরং একজন অসাধারণ হৃদয়ের মানুষ হিসেবেও সবার কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
উল্লেখ্য যে, ৪ ফেব্রুয়ারি তিনি বাংলাদেশে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার নিজ বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। সিলেট হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে নেওয়ার পথে বাংলাদেশ সময় ভোর পৌনে ছয়টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর মৃত্যুর খবরে যুক্তরাজ্য ও সিলেটের গণমাধ্যম অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বড়লেখা উপজেলার সদর ইউনিয়নের দরগা বাজার আজমির স্কুল মাঠে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫২ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, দুই মেয়ে, তিন ভাই, দুই বোনসহ অসংখ্য সহকর্মী, আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Suprobhat Michigan

নিজস্ব প্রতিনিধি :