আমেরিকা , শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ , ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আনন্দ মঞ্চে আজ উঠছে মিশিগান বইমেলার পর্দা ডিয়ারবর্নে গ্রেপ্তারের সময় দুই পুলিশ ও সন্দেহভাজন গুলিবিদ্ধ মন্ত্রিসভায় ছয় নতুন সদস্য, শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল প্রাদুর্ভাবের দুই মাস পর স্বস্তি, মিশিগানে কমছে সাইক্লোস্পোরিয়াসিস বরখাস্তের জেরে হ্যামট্রাম্যাক কাউন্সিলের বিরুদ্ধে সাবেক সিটি ম্যানেজারের মামলা নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল, আগামীকাল শপথ মিশিগানের স্কুলে মোবাইল ফোন  ব্যবহারে আরও কঠোর হচ্ছে নিয়ম মিশিগানে ২০২১ সালের পর প্রথম ইইই রোগী শনাক্ত ডিয়ারবর্নে ইসলামবিরোধী বিক্ষোভ  ঘিরে উত্তেজনা, উঠল সম্প্রীতির বার্তাও নারীর গাড়িতে গোপনে ট্র্যাকিং ডিভাইস : আদালতে মেকানিক মিশিগানে পেট্রোলের দামে ঊর্ধ্বমুখী অস্থিরতা ৪ বার গুলিবিদ্ধ হয়েও বীরত্ব, ৯১১-এ ফোন কিশোরীর : ‘সে একজন বীর’ মিশিগানের রেলপথ উন্নয়নে ১৪৫ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রেডফোর্ড টাউনশিপে ফস্টার কেয়ার হোমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ৩ প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের অনুকূল পরিবেশ নেই : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিশিগানে গণ-গোলাগুলি, বন্দুকধারীসহ নিহত ৬ ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী, বলছে এনডিটিভি জনস্বার্থে ৫৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে অবসর দিল সরকার সীতাকুণ্ডে শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু

রাজনীতিতে নতুন মোড়: আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখে আইন পাস

  • আপলোড সময় : ০৮-০৪-২০২৬ ১২:৩৮:৪৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৮-০৪-২০২৬ ১২:৩৮:৪৬ অপরাহ্ন
রাজনীতিতে নতুন মোড়: আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখে আইন পাস
ঢাকা, ৮ এপ্রিল : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখেই জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের (সংশোধিত) অধ্যাদেশ। অন্তর্বর্তী সরকার জারি করা এই অধ্যাদেশটি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংশোধনীসহ পাস করা হয়।
কয়েক দিন আগে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপি সরকার। অধ্যাদেশটি সংশোধন করে শাস্তির বিধান যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয় এবং আজ সেই সংশোধনীসহ অধ্যাদেশটি পাস হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিএনপি জানিয়েছিল, নির্বাহী আদেশে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে তারা নয়; এ বিষয়ে জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে। তবে সরকার গঠনের পর তারা অধ্যাদেশটিকে আইনে পরিণত করেছে। শাস্তির বিধান যুক্ত হওয়ায় আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা আরও কঠিন হয়ে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম দিনে, গত ১৩ মার্চ উত্থাপন করা হয়। ওই দিনই গঠিত ১৪ সদস্যের বিশেষ কমিটি অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাই শুরু করে। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদে পাস না হলে ৩০ দিনের মধ্যে, অর্থাৎ ১২ এপ্রিলের পর অধ্যাদেশগুলো কার্যকারিতা হারানোর কথা ছিল।
গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার বিশেষ কমিটি ৯৮টি অধ্যাদেশ কোনো পরিবর্তন ছাড়াই আইনে পরিণত করার সুপারিশ করে। ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধন করে বিল হিসেবে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়, ১৬টি অধ্যাদেশ আপাতত উত্থাপন না করার এবং চারটি রহিত করার সুপারিশ করা হয় প্রতিবেদনে।
সংশোধন করে বিল হিসেবে সংসদে উত্থাপনের সুপারিশ করা ১৫টি অধ্যাদেশের মধ্যে অন্যতম ছিল ২০২৫ সালের ১১ মে জারি করা ‘সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ’। এতে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ ও ২০ ধারা সংশোধন করে আওয়ামী লীগ এবং দলটির সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। একই আইনের আওতায় ২০২৪ সালের অক্টোবরে ছাত্রলীগকেও নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
গত বছরের ৯ মে রাতে এনসিপি নেতারা তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারি বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। পরে জামায়াতে ইসলামী, গণঅধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন, এবি পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ বিভিন্ন দল এতে যোগ দেয়।
১১ মে রাতে যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দুটি ধারা সংশোধন করে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে বলা হয়, কোনো ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে নির্বাহী আদেশে সরকার তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে পারবে। একই দিনে সরকারি প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে।
অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগকে সরাসরি নিষিদ্ধ না করলেও কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় দলটি মিছিল, সভা-সমাবেশ, সংবাদ সম্মেলন, পোস্টার-ব্যানার প্রচার, ব্যাংক হিসাব পরিচালনা এবং গণমাধ্যম বা সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণা চালাতে পারবে না।
নতুন আইনে বলা হয়েছে, নিষিদ্ধ সংগঠন এসব কার্যক্রম পরিচালনা করলে চার থেকে ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। এর আগে অধ্যাদেশে শাস্তির বিধান না থাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে কী শাস্তি হবে, তা স্পষ্ট ছিল না।
সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ বিষয়ে সংসদের বিশেষ কমিটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতামত নেয়। মন্ত্রণালয়ের মতামতে বলা হয়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সত্তা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে সাজার বিধান নেই, তাই শাস্তির বিধান যুক্ত করা প্রয়োজন—এ সুপারিশের ভিত্তিতেই সংশোধনী আনা হয়।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Suprobhat Michigan

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
পেশার গণ্ডি পেরিয়ে সুরের মঞ্চে ইফতেখারুল চিশতি

পেশার গণ্ডি পেরিয়ে সুরের মঞ্চে ইফতেখারুল চিশতি