অ্যাড্রিয়ান, ১২ জুন : মিশিগানের অ্যাড্রিয়ানে এক হসপিস রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় ৫৮ বছর বয়সী এক নারীর বিরুদ্ধে ‘ওপেন মার্ডার’-এর অভিযোগ আনা হয়েছে।
আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভার্জিনিয়া ল্যান্ডিস স্টুয়ার্টকে ১১ জুন লেনাউই কাউন্টির ২এ ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে হাজির করা হয়। কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, তিনি অ্যাড্রিয়ানের ৬১ বছর বয়সী বাসিন্দা ফ্রান্সিস স্টুয়ার্টের অক্সিজেন মাস্ক খুলে দেন এবং পরে তাঁকে মরফিনের প্রাণঘাতী মাত্রা প্রয়োগ করেন। আদালত তাঁর জামিন ২০ লাখ ডলার নির্ধারণ করেছে। আগামী ১৮ জুন মামলার ‘প্রবাব্য কারণ বিষয়ক শুনানি’ এবং ২৫ জুন প্রাথমিক শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। দ্য ডেইলি টেলিগ্রামের বরাতে দ্য ডেট্রয়েট নিউজ জানিয়েছে, ৮ জুন অ্যাড্রিয়ানের একটি বাসভবনে ঘটে যাওয়া ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সেদিন দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে একটি দেওয়ানি বিরোধ বা অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিকে ঘিরে অভিযোগের খবর পেয়ে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে পৌঁছে তারা একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে কথা বলেন এবং বাড়ির ভেতরে এক হসপিস রোগীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।
অ্যাড্রিয়ান পুলিশ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তদন্ত চলাকালে কর্মকর্তারা তথ্য পান যে পরিবারের এক সদস্য ইচ্ছাকৃতভাবে ওই হসপিস রোগীকে অতিরিক্ত মাত্রায় ওষুধ প্রয়োগ করেছিলেন, যার ফলে তাঁর মৃত্যু ঘটে।
ঘটনাস্থলে প্রাথমিক তদন্ত শেষে ভার্জিনিয়া ল্যান্ডিস স্টুয়ার্টকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাঁকে লেনাউই কাউন্টি জেলে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে মামলাটি পর্যালোচনা ও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের জন্য লেনাউই কাউন্টি প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে পাঠানো হয়।
প্রসিকিউটরদের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘ওপেন মার্ডার’ অভিযোগ আনার ফলে মামলার পরবর্তী ধাপে প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে ‘প্রথম-ডিগ্রি পূর্বপরিকল্পিত হত্যা’ অথবা ‘দ্বিতীয়-ডিগ্রি হত্যা’ অভিযোগে বিচার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে।
এদিকে, ঘটনার বিষয়ে কারও কাছে অতিরিক্ত তথ্য থাকলে বা কোনো প্রত্যক্ষদর্শী এখনও তদন্তকারীদের সঙ্গে কথা না বলে থাকলে, তাঁদের অ্যাড্রিয়ান পুলিশ বিভাগের ৫১৭-২৬৪-৪৮০৮ নম্বরে যোগাযোগ করতে অথবা [email protected] ঠিকানায় ই-মেইল পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।
Source & Photo: http://detroitnews.com
নিউজটি আপডেট করেছেন : Suprobhat Michigan

সুপ্রভাত মিশিগান ডেস্ক :